ভারতের প্রতিটি রাজ্যের রেড, অরেঞ্জ এবং গ্রিন জোনের তালিকা

করোনার কারণে পুরো দেশকেই ভাগ করা হয়েছে কতগুলি জোনে। রেড জোন, অরেঞ্জ জোন, গ্রিন জোন। রেড জোন – করোনা সংক্রমণ যেখানে অধিক। অরেঞ্জ জোনগুলিতে করোনার সংক্রমণ কম, আর গ্রিন জোনগুলি বিপদ মুক্ত এলাকা। কেন্দ্রের কথা অনুযায়ী কোনো জেলায় ২১ দিনের মধ্যে নতুন সংক্রমণের সন্ধান না মিললে সেই জেলা গ্রিন জোন তালিকায় পড়বে।

৩ রা‌ মে’র পর দেশের সর্বত্র লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধির ঘোষণা ইতিমধ্যেই করে দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। গ্রিন জোন ও অরেঞ্জ জোনগুলিতে লকডাউন চললেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে। এখন সমগ্র দেশের ভিত্তিতে এই রেড, অরেঞ্জ ও গ্রিন জোনের তালিকা ঘোষণা করলো কেন্দ্র।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী ১৩০টি জেলা রয়েছে রেড জোনের অন্তর্ভুক্ত। ২৮৪টি জেলা রয়েছে অরেঞ্জ জোনে আর ৩১৯টি জেলা গ্রিন জোনে রয়েছে। কলকাতা-সহ দেশের সব মেট্রো সিটি অর্থাৎ দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু ও আমদাবাদ রেড জোনের মধ্যে পড়ছে।

রেড জোনে কোন রাজ্যের কটা জেলা রয়েছে?

দিল্লির ১১টি জেলা রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।উত্তরপ্রদেশের যোগীর রাজ্যে ৭৫টির মধ্যে ১৯টি জেলায় রেড জোন, ৩৬টি অরেঞ্জ জোন ও ২০টি গ্রিন জোনে রয়েছে।মহারাষ্ট্রে ১৪টি জেলায় রেড জোন। অরেঞ্জ জোনে ১৬টি ও গ্রিন জোনে ৬টি জেলা আছে। তামিলনাড়ু রাজ্যে ১২টি জেলাই রেড জোনে। গুজরাত এ ৯ টি রেড জোনে। মধ্যপ্রদেশে ৮টি রেড জোন জেলা আছে।

অরেঞ্জ জোনে কোন কোন জেলা রয়েছে?

বিহারের ২০টি জেলা অরেঞ্জ জোনে, তামিলনাড়ুতে ২৪ টি জেলা অরেঞ্জ জোনে, রাজস্থানে ১৯ টি জেলা, পঞ্জাবে ১৫টি ও মধ্যপ্রদেশের ১৬টি জেলা রয়েছে অরেঞ্জ জোনে।

বিপদমুক্ত বা গ্রিন জোনে কোন কোন জেলা রয়েছে?

অসমে ৩০টি জেলা গ্রিন জোনে। সিকিমের চারটির মধ্যে চারটি জেলাই গ্রিন জোনে। হ্যাঁ, সিকিমে এখনো অব্দি কেউ করোনা সংক্রামিত নয়।ছত্তীসগড়ে ২৫ টি জেলা সেফজোনে। অরুণাচল প্রদেশে ২৫, মধ্যপ্রদেশে ২৪, ওড়িশায় ২১, উত্তরপ্রদেশে ২০টি জেলা গ্রিন জোনে। উত্তরাখণ্ডে ১০টি জেলা গ্রিন জোন আছে। পশ্চিমবঙ্গের ২৩টি জেলার মধ্যে ১০টি জেলা রয়েছে রেড জোনের তালিকাতে, ৫টি জেলা অরেঞ্জ জোনে ও ৮টি জেলা গ্রিন জোনে।