বিপদে আপদে জীবনের কঠিন সময়ে রবি ঠাকুরের এই গানগুলি শুনলে সাহস পাবেন

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলেন বাঙালির প্রাণের ঠাকুর। তিনি আমাদের স্মরণে মননে আমাদের জীবনধারার সঙ্গে এমনভাবে জড়িয়ে গিয়েছেন যে, দুঃখে-সুখে সব সময় আমাদের তাকেই প্রয়োজন হয়। আমাদের ভালবাসাকে ব্যক্ত করবার জন্য আমরা বেছে নিই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষের কবিতার লাইন। আবার আমাদের দুঃখের সময় আমাদের কষ্টকে প্রকাশ করবার জন্য আমরা সেই রবীন্দ্রসঙ্গীত‌ই গেয়ে উঠি। এই ভাবেই আমাদের আত্মার আত্মীয় হয়ে ওঠেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

করোনা ভাইরাসের দাপটে দেশ তথা রাজ্য জুড়ে টালমাটাল পরিস্থিতি। প্রতি মুহূর্তে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনায় সংক্রমিতের সংখ্যা। লক্ষাধিক মানুষ প্রতিদিন সংক্রমিত হচ্ছেন, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের গ্রাফ যে হারে বাড়ছে সেই সঙ্গে ক্রমশ প্রকট হয়ে উঠছে অক্সিজেনের অভাব। আমাদের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ব্যবস্থা রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে প্রতিদিন এত বিপুল সংখ্যক মানুষকে পরিষেবা দিতে গিয়ে। স্বাভাবিকভাবেই প্রতিটা মানুষ আজ ভীত-সন্ত্রস্ত।

মানুষ তার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা হারিয়ে মৃত্যুভয়ে আতঙ্কিত হয়ে উঠেছে, এই তীব্র অনিশ্চয়তার মুহূর্তে রবি ঠাকুরের গানই একমাত্র আমাদের শান্তির লোকে নিয়ে যেতে পারে। তাই দমবন্ধ করা এই পরিস্থিতিতে নিজেকে একটু ভালো রাখতে রবীন্দ্র সংগীত শুনলে মানুষ মানসিকভাবে শান্তি ও তৃপ্তি খুঁজে পাবেন।

১) সঙ্কোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান। সঙ্কটের  কল্পনাতে হোয়ো না ম্রিয়মাণ। মুক্ত করো ভয়, আপনা মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়।

২) যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে। একলা চলো, একলা চলো, একলা চলো, একলা চলো রে।

৩) নাই নাই ভয়,হবে হবে জয়,খুলে যাবে এই দ্বার। জানি জানি তোর বন্ধনডোর ছিঁড়ে যাবে বারবার। ক্ষণে ক্ষণে তুই হারায়ে আপনা সুপ্ত নিশীথ করিস যাপনা-বারে বারে তোর ফিরে পেতে হবে বিশ্বের অধিকার।

৪) এবার তোর মরা গাঙে বান এসেছে জয় মা বলে ভাসা তরী। ওরে রে ওরে মাঝি,কোথায় মাঝি, প্রাণপণে, ভাই,ডাক দে আজি।

৫) আমি ভয় করব না ভয় করব না দুবেলা মরার আগে মরব না ভাই মরবো না।