কত টাকার মালিক প্রধানমন্ত্রী, প্রকাশ্যে এলো মোদীর সম্পত্তির পরিমাণ

নিয়ম অনুযায়ী স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রতিবছর মন্ত্রীদের তাদের স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির হিসেব দিতে হয়।  এই বছরেও সম্পত্তির হিসাব দিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মন্ত্রিসভার বাকি মন্ত্রীরাও তাঁদের সম্পত্তির হিসেব দিয়েছেন।

সেই ঘোষণায় জানা গেছে  ২০২০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। ২০১৯ সালে তার মোট সম্পত্তি ছিল ২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক বছরে তার সম্পত্তির পরিমাণ বেড়েছে ৩৬ লক্ষ টাকা।

ব্যাঙ্ক ও অন্যান্য সঞ্চিত টাকায় বৃদ্ধির ফলেই এই সম্পত্তির পরিমাণ বেড়েছে। ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেটস (NSC)  থেকে নরেন্দ্র মোদী ৮ লাখের বেশী সঞ্চয় করেছেন।

 

স্টেট ব্যাঙ্কে ফিক্সড ডিপোজিট করলে যেখানে সুদের হার ৫.৩০ শতাংশ।  সেখানে ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেটস (NSC) থেকে সুদ পাওয়া যাচ্ছে ৬.৮ শতাংশ হারে। এর ফলে তিনি যেমন সুদের হার অনেক বেশী পেয়েছেন তেমনই ৮০ সি ধারায় আয়কর ছাড়ও পেয়েছেন।

৩১ জুন পর্যন্ত হিসেবে জানা যাচ্ছে তার কাছে ক্যাশ আছে ৩১ হাজার ৪৫০ টাকা। তার সেভিংস অ্যাকাউন্টে রয়েছে  ৩ লাখ ৩৮ হাজার টাকা। ২০১৯ সালের ৩১ মার্চ যার ব্যালেন্স ছিল ৪ হাজার ১৪৩ টাকা।

এছাড়া গুজরাতের গান্ধীনগরে স্টেট ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে টাকার ফিক্সড ডিপোজিট বাবদ আছে  ১ কোটি ৬০ লাখ ২৮ হাজার ৩৯ টাকা। গত বছর জুনে যেটা ছিল ১ কোটি ২৭ লাখ ৮১ হাজার ৫৭৪ টাকা।

এছাড়া মোদীর ৪টি সোনার আংটি আছে (মোট ৪৫ গ্রাম সোনা) যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১ লাখ ৫১ হাজার ৮৭৫ টাকা।অন্যদিকে মোদীর গন্ধিনগরের শরিকি বাড়ির মূল্য ১ কোটি ১০ হাজার টাকা।এই বাড়ির মোট ৪ জন মালিক আছেন যার একজন হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

চলতি বছরেই তিনি জীবন বিমার জন্য ১ লাখ ৫০ হাজার ৯৫৭ টাকার প্রিমিয়াম দিয়েছেন। ২০১৯-২০ আর্থিক বছরে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৬৪৬ টাকা সঞ্চয় করেছিলেন তিনি। জীবন বীমার প্রিমিয়াম দিয়েছিলেন ১ লাখ ৯০ হাজার ৩৪৭ টাকা। এছাড়াও তিনি জানান যে তার ২০১২ সালে কেনা লারসন অ্যান্ড টুব্রোর ২০ হাজার টাকার ইনফ্রাস্ট্রাকচার বন্ড এখনও ম্যাচিউর হয়নি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সম্পত্তির পরিমাণ যেখানে বেড়েছে ৩৬ লক্ষ টাকা। সেখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সম্পত্তির পরিমাণ গত বছরের তুলনায় এবছর অনেক কমেছে।

গত বছর অমিত শাহের সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৩২ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা। এখন তা কমে হয়েছে ২৮ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকা। তিনি যে শেয়ার কিনেছিলেন, তার দাম গত ৩১ মার্চ ১৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা থেকে কমে হয়েছে ১৩ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা।