মিঠুনের কুড়িয়ে পাওয়া মেয়ে পা রাখতে চলেছে রূপলি পর্দায়

সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী বরাবরই সমাজ দরদী। সমাজের উন্নয়নের জন্য তাঁর রয়েছে অনেক অবদান।থ্যালাসেমিয়া রোগীদের পাশে দাঁড়ানো থেকে শুরু করে অনেক সমাজসেবামূলক কাজে তাঁর দান অতুলনীয়। পাশাপাশি সিনেমা জগতে টলিউড থেকে বলিউড কাঁপিয়েছেন এই সুপারস্টার অভিনেতা। আর তাঁরই মেয়ে দিশানী চক্রবর্তী খুব তাড়াতাড়ি পা রাখতে চলেছে বলিউডে। মিঠুনের মেয়ে দিশানী চক্রবর্তী সম্পর্কে বেশ কিছু কাহিনী উঠে এসেছে বিভিন্ন সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে। যেসকল কাহিনীতে পরিষ্কার মিঠুন চক্রবর্তীর উদারতা।

সর্বভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম দাবি করে, মিঠুন চক্রবর্তীর মেয়ে দিশানী চক্রবর্তী নাকি তাঁর পালিত কন্যা। এই সকল সূত্র থেকে জানা যায়, ২০ বছর আগে পশ্চিমবঙ্গের কোন একটি ডাস্টবিনে এক শিশুকন্যা পড়েছিল। শিশুকন্যার অবিরত কান্না আর চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে আসেন। একটি সমাজসেবী সংস্থা ওই শিশুকন্যাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। তারপর ওই শিশুকন্যাকে দেখে তাঁর খুব মায়া হয়। তখনই তিনি ওই শিশুকন্যাকে দত্তক নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তারপর তিনি ওই শিশুকন্যাকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। স্ত্রী যোগিতা বালির সহযোগিতায় সন্তানের মত লালন পালন করে মানুষ হয় ওই শিশুকন্যা।

ওই শিশুকন্যা বাড়িতে আসার পর মিঠুন চক্রবর্তী আনন্দে তাঁর নামে কাগজপত্র তৈরি করে নিজেকে পিতৃত্বের পরিচয় দিয়ে মেয়েটির নাম রাখেন দিশানী চক্রবর্তী। মিঠুন চক্রবর্তীর পরিবারে রয়েছে আরও তিন সন্তান মিমো, উস্মে ও নানশি, তারাও কোনদিন দিশানিকে আলাদা চোখে দেখেননি। ধীরে ধীরে এই দিশানি সকালের নয়নের মণি হয়ে ওঠে। বর্তমানে সেই বলিউডে পদার্পণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

বর্তমানে তিনি নিউইয়র্কের একটি ফিল্ম একাডেমিতে পড়াশুনারত। সলমন খান হলেন তার স্বপ্নের নায়ক। মিঠুন চক্রবর্তী গোপনে এমন অনেক বড় বড় কাজ করে গেছেন, যেগুলি কখনোই প্রচার মাধ্যমে আসেনি। অজস্র হাসপাতাল থেকে দাতব্যশালায় অফুরন্ত দান করে চলেছেন তিনি। তবে বলে না, মানুষের ভালো দিক কখনো প্রচারে আসেনা, একটু খারাপ হলেই তা তরতর করে সমালোচনা সৃষ্টি করে। তাইতো এত ভালো কাজের মাঝেও চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে একবার তাঁর নাম জড়িয়ে যাওয়ায় সেই কলঙ্ক এখনো বহন করতে হচ্ছে তাঁকে।