৭, ১১ ও ১২ তারিখ কী লকডাউন হবে? জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

শনিবার কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে আনলক ৪-এর নতুন গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়েছে। আনলক ৪ পর্যায় চলবে সেপ্টেম্বর মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত। আনলক ৪ পর্যায়ে দেশকে ছন্দে ফেরাতে ঢালাও ছাড় দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফ থেকে।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফ থেকে রাজ্যে করোনা সংক্রমণের হার কমাতে গত জুলাই মাস থেকে সপ্তাহে দুদিন করে লকডাউন জারি করার ঘোষণা করে।

কিন্তু আনলক ৪-এর নতুন এই নির্দেশিকায় কেন্দ্র সরকার স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, কেন্দ্র সরকারের সাথে আলোচনা না করে কোনও রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তাদের রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে কনটেইনমেন্ট জোন ছাড়া আলাদা করে কোনো রকম লকডাউন জারি করতে পারবে না। তা নিয়েই শুরু হয়েছিল জল্পনা।

আর এই কেন্দ্র সরকারের নির্দেশিকা এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের পূর্ণ লকডাউন নিয়ে যে জল্পনার সৃষ্টি হয়েছিল সেই জল্পনার অবসান ঘটল সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণায়।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকার পথেই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার আনলক চতুর্থ পর্যায়ের নির্দেশিকা রাজ্যের বাসিন্দাদের মেনে চলার নির্দেশ দিল। তবে ৭, ১১ ও ১২ তারিখের লকডাউন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন জানান, ওই তিন দিন রাজ্যে পূর্ণ লকডাউন হচ্ছেই।

বাকি অন্যান্য যেমন মেট্রো পরিষেবা রাজ্যে শুরু হবে সেপ্টেম্বর মাসের ৮ তারিখ থেকে। পাশাপাশি কেন্দ্র সরকারের ঘোষণা মত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন জানিয়ে দেন সমস্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকবে সেপ্টেম্বর মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত। এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন স্কুল-কলেজ সেপ্টেম্বর মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত বন্ধ রাখার কথা।

এছাড়াও কেন্দ্র সরকারের নির্দেশিকা মতই পশ্চিমবঙ্গে ২১শে সেপ্টেম্বর থেকে চালু হয়ে যাবে ওপেন থিয়েটার। তবে এখনো কনটেইনমেন্ট জোনভুক্ত এলাকায় লকডাউন চলবে বলে জানানো হয়েছে নবান্নে তরফ থেকে। বাকি অন্যান্য ক্ষেত্রেও কেন্দ্র যেমন ছাড় দিয়েছে ঠিক তেমনি ছাড় দিয়েছে রাজ্য সরকার।

নবান্নের তরফ থেকে এদিন নির্দেশিকায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ৭, ১১ ও ১২ সেপ্টেম্বর রাজ্যে পূর্ণ লকডাউন চলাকালীন গণপরিবহন, সরকারি এবং বেসরকারি অফিস, ব্যাঙ্ক, রেল ও বিমান পরিষেবা সমস্ত কিছু বন্ধ থাকবে।

আরও পড়ুন :- উঠে যাচ্ছে সমস্ত বিধিনিষেধ, আনলক ৪॰০-এ খুলে যাচ্ছে এইসব পরিষেবা

কেবলমাত্র জরুরী পরিসেবার ক্ষেত্রে ছাড় পাওয়া যাবে চিকিৎসা সংক্রান্ত যাওয়া আসাই, খোলা থাকবে ওষুধের দোকান এবং ক্লিনিক, খোলা থাকবে অন্যান্য জরুরী পরিষেবা যেমন আইন-আদালত, পুলিশ স্টেশন, ফায়ার ব্রিগেড, জল পরিষেবা, কৃষি সংক্রান্ত পরিষেবা, ই-কমার্স, প্রিন্ট, মিডিয়া, খাবারের হোম ডেলিভারি, চা বাগান, বিদ্যুৎ পরিষেবা।