মাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ, সমস্যায় পড়তে না চাইলে অবশ্যই পড়ুন

257

আজ মঙ্গলবার শুরু হল মাধ্যমিক পরীক্ষা। এ বছর মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রদের থেকে ছাত্রীদের সংখ্যা ১৩ শতাংশ বেশি। মোট পরীক্ষার্থী ১০ লক্ষেরও বেশি। পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশেও পর্ষদের পরামর্শ, ভুল করেও মোবাইল কেউ নিজের কাছে রাখতে পারবে না। তা হলে পরীক্ষাই বাতিল হয়ে যেতে পারে। এমনকি হাত ঘড়ির ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি করা হয়েছে। শুধুমাত্র সময় দেখা যাবে এমন ঘড়ি আনতে বলা হয়েছে। ডিজিটাল ঘড়িও চলবে না। যাঁরা লিখতে পারেন না তাঁদের জন্য রাইটারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পর্ষদের কন্ট্রোল রুম খোলা থাকবে সকাল ৬টা থেকে।

পরীক্ষা চলাকালীন যাতে কোনও রকম অপ্রীতিকর  ঘটনা না ঘটে তার জন্য  তৈরি প্রশাসন।  বেশ কয়েক বছর ধরে মাধ্যমিক পরীক্ষা ঘিরে গণ টোকাটুকির মতো ঘটনা  প্রকাশ্যে এসেছে।  তা বন্ধ  করতে  সমস্ত ধরনের ব্যবস্থা করে রেখেছে পর্ষদ।  এ ধরনের প্রবণতায় রাশ টানতে ছাত্রছাত্রীদের মোবাইল  নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্র  প্রবেশ  বন্ধ হয়েছে  আগেই। এবার আরও কড়া হল  নিয়ম। এখন থেকে  পড়ুয়াদের পাশাপাশি শিক্ষক- পরীক্ষকরাও  মোবাইল নিজেদের সঙ্গে  রাখতে পারবেন না।  পরীক্ষা শুরুর আধ ঘণ্টা আগে মোবাইল জমা দিতে  হবে সরকারি  আধিকারিককে।

পরীক্ষা চলবে ১২ থেকে বেলা ৩ পর্যন্ত। সকাল সাড়ে ১০ টার মধ্যে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে পৌঁছে দেওয়া হবে প্রশ্নপত্র। সকাল ১১টা ৩৫ মিনিটে পরীক্ষার মুখবন্ধ খামে হলে প্রশ্নপত্র পৌছবে। ১১টা ৪৫ মিনিটে পরীক্ষাদের দেওয়া হবে প্রশ্নপত্র। ১১টা ৫৫ মিনিটে দেওয়া হবে উত্তরপত্র। অতিরিক্ত প্রশ্নপত্র থাকলে, সেগুলি মুখবন্ধ খামে প্রধান শিক্ষকের কাছে দিয়ে দিতে হবে। ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে কন্ট্রোলরুম চালু রয়েছে (২৩২১-৩৮৭২, ২৩৫৯-২২৭৮)। কারও অ্যাডমিট বা রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট নিয়ে সমস্যা থাকলে মধ্যশিক্ষা পর্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন ঃ মাধ্যমিক ভালো দেওয়ার রইল কিছু টিপস

মোবাইল আনলে প্রধান শিক্ষকের কাছে তা হস্তান্তর করতে হবে। শুধু তাই নয়, ওই মোবাইলগুলি তালাবন্দি অবস্থায় আলমারিতে রাখতে হবে। পরীক্ষা শেষ হয়ে গেলে তবেই মোবাইল ফেরত দেওয়া হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে এলে প্রধান শিক্ষককের কাছে জমা করতে হবে। এ বিষয় নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। এর পরেও পরীক্ষা চলাকালীন শিক্ষক, শিক্ষিকা অথবা শিক্ষাকর্মীর কাছে মোবাইল ফোন পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Loading...