কোনও মেয়েকেই ফেরায় না, স্টার জলসার নায়কদের মন অনেক বড়! আবারও ট্রোল্ড লীনা গাঙ্গুলী

বারবার বিয়ে করেও সাধ মেটেনা! স্টার জলসার নায়কদের ধুয়ে দিচ্ছেন দর্শকরা

Leena Ganguly trolled for Lalon and Anuj's characteristics weakness

একদিকে গুড্ডি (Guddi) অন্যদিকে ধুলোকণা (Dhulokona), স্টার জলসার (Star Jalsha) এই দুই ধারাবাহিকের উপরে বেশ কিছুদিন ধরেই কিছুটা তিতিবিরক্ত দর্শকরা। কারণ পরকীয়াই হল এই দুই ধারাবাহিকের গল্পের মূল আশ্রয়। গুড্ডি সিরিয়ালের অনুজ কখনও গুড্ডিকে বিয়ে করে পস্তায়, আবার গুড্ডিকে ছেড়ে শিরিনকে বিয়ে করেও ফের গুড্ডির প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে!

একই ঘটনা ঘটে চলেছে ধুলোকণা সিরিয়ালেও। সেখানেও লালন তিতির এবং ফুলঝুরির মধ্যে বিভ্রান্ত! স্মৃতিভ্রষ্ট হয়ে তিতিরের সান্নিধ্যে থেকে তিতিরের প্রতিই দুর্বল হয়ে পড়েছে সে। তাই স্মৃতি ফিরে এলে ফুলঝুরিকে চিনতে পারলেও সে তার সঙ্গে থাকতে চায় না। ফুলঝুরিকে ডিভোর্স দিয়ে তিতিরের সঙ্গেই থাকতে চাইছে লালন। এসব দেখে দর্শকরা তো রীতিমত রেগে আগুন হচ্ছেন।

একই চ্যানেলে লীনা গাঙ্গুলীর দু-দুটি ধারাবাহিকের নায়কের চরিত্রের কোনও ঠিক নেই। স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও অন্য নারীর সঙ্গে সম্পর্ক রাখছে তারা। লীনা গাঙ্গুলী তার গল্পে পরকীয়াকে অধিক প্রশ্রয় দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করছেন দর্শকরা। অনুজ এবং লালন, বারবার বিয়ে করেও এদের সাধ মেটেনা। স্ত্রী কিংবা প্রেমিকা, কাউকেই ছাড়তে পারে না এরা।

দর্শকদের একাংশের দাবি, প্রতিযোগিতার এই বাজারে টিকে থাকার জন্য সস্তার পরকীয়ার উপরেই জোর দিচ্ছেন গল্প লেখিকা। মানুষের আকর্ষণ বাড়াতে প্রধান গল্পের থেকে মোড় ঘুরিয়ে পরকীয়া দেখানো হচ্ছে। শুরুতে নারীর ক্ষমতায়ন দিয়ে গল্প শুরু হলেও মাঝপথেই ঢুকে পড়ে পরকীয়া। তখন নায়িকাকে সংসারের উপরই জোর দিতে হয়। সংসার আগলে রাখতে নায়িকার কেরিয়ার, পড়াশোনা তখন লাটে ওঠে।

বাংলা ধারাবাহিকে এরকম প্রচুর উদাহরণ রয়েছে যেখানে একজনকে বিয়ে করার পর কিছুদিন যেতে না যেতেই অন্য আরেকজনের সঙ্গে নায়কের ঘনিষ্ঠতা দেখানো হয়। গুড্ডি এবং ধুলোকণা শুরু থেকেই সেই ট্র্যাকে হাঁটছে। অনুজ প্রথমে প্রেমিকা থাকা সত্ত্বেও গুড্ডিকে বিয়ে করে। তারপর তাকে ডিভোর্স দিয়ে আবার প্রেমিকা শিরিনকে বিয়ে করে। এরপর আবার নিজের ভুল বুঝতে পেরে গুড্ডির সঙ্গে রাত কাটায়।

অন্যদিকে লালনের মানসিক অসুস্থতা দেখিয়ে লীনা গাঙ্গুলী এখনেও পরকীয়ার নতুন গল্প শোনাচ্ছেন। ফুলঝুরিকে ভালবাসলেও তাকে ডিভোর্স দিয়ে তিতিরের সঙ্গে রয়েছেন লালন। ধারাবাহিকের নায়কদের এমন চরিত্র দেখে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন দর্শকরা। এতে সমাজের উপর কী প্রভাব পড়বে? সমাজ উচ্ছন্নে যাওয়ার জন্য এই সিরিয়ালগুলোই যথেষ্ট, বলছেন সমালোচকরা।