বাংলার সঙ্গে জয়া বচ্চনের সম্পর্ক কি, রইলো জয়া ভাদুড়ি সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য

বাংলার একেবারে ঘরের মেয়ে জয়া ভাদুড়ি বচ্চন। বি-টাউনের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মধ্যে বাঙালি হিসেবে বাংলার নাম যারা উজ্জ্বল করেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন সত্তরের দশকের দাপুটে অভিনেত্রী জয়া ভাদুড়ি। বাংলার এই রাজকন্যার জন্ম অবশ্য মধ্যপ্রদেশের ভোপালে। সেখানেই বড় হয়ে উঠেছেন। পড়াশোনা করেছেন। তারপর কেরিয়ারের প্রথমেই সত্যজিৎ রায়ের মতো কিংবদন্তি পরিচালকের হাত ধরে রুপোলী দুনিয়ায় প্রবেশ করেছেন তিনি।

জয়ার জন্ম ভিন রাজ্যে হলেও তিনি মনেপ্রাণে বাঙালি। তার বাবা তরুণ কুমার ভাদুড়ী ছিলেন জনপ্রিয় লেখক এবং সাংবাদিক। জয়া যখন প্রথম রুপোলী জগতে প্রবেশ করেন তখন তাঁর বয়স মাত্র ১৫ বছর।

কেরিয়ারের প্রথমেই সত্যজিৎ রায়ের সান্নিধ্য পাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল তাঁর। ১৯৬৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি “মহানগর’-এ অনিল চট্টোপাধ্যায়, মাধবী মুখোপাধ্যায়ের মতো তাবড় তাবড় অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি।

এ তো গেল টলিউডের কথা। ঋষিকেশ  মুখোপাধ্যায়ের “গুড্ডি’ ছবিতে অভিনয় মারফত বলিউডেও প্রথম নিজের ছাপ ফেলেন জয়া। আবার সেই বছরই উত্তম কুমার, সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, পার্থ মুখোপাধ্যায়, জহর রায়ের মতো দাপুটে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সঙ্গে জয়ার অভিনীত ছবি “ধন্যি মেয়ে” মুক্তি পায়। “ধন্যি মেয়ে’র সাফল্য কমবেশি আমাদের সকলেরই জানা।

বলতে গেলে টলিউড এবং বলিউড এক সঙ্গে সমানতালে সামলিয়েছেন জয়া ভাদুড়ি। কেরিয়ারের শীর্ষে থাকাকালীন বিগ-বি অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন তিনি। তবে এরপর আর সেভাবে বড় পর্দায় দেখা যায়নি তাকে। সংসার সামলিয়েছেন মন দিয়ে।

তবে জয়ার জীবনের পরবর্তী ইনিংস শুরু হলো যখন তিনি বলিউড ছেড়ে রাজনৈতিক জীবনে প্রবেশ করলেন। রাজ্যসভার সদস্য হয়েছেন। সম্প্রতি একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে প্রচারকার্যে অংশগ্রহণ করার উদ্দেশ্যে বাংলায় এসেছেন অমিতাভ-ঘরণী। তবে এই প্রথম নয়। এর আগেও কলকাতার ফিল্ম ফেস্টিভালগুলিতে বাংলার তরফ থেকে আমন্ত্রণ পেয়ে কলকাতায় উপস্থিত হয়েছিলেন জয়া।