রণবীর সিং, রণবীর কপূরের বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ, বিস্ফোরক কঙ্গনা

বলি তারকাদের ড্রাগ টেস্ট করানো নিয়ে বিস্ফোরক কঙ্গনা রানওয়াত। রণবীর সিংহ, রণবীর কপূর ও ভিকি কৌশলদের মতো তারকাদের মাদক পরীক্ষা করানোর জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানালেন তিনি।

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর থেকেই বলিউডে স্বজন পোষণের বিষয় সরব হয়েছেন অনেকেই। এদের মধ্যে প্রথমেই আসে কঙ্গনা রানাওয়াত এর নাম। করণ জোহরকে নিশানা করে সরাসরি তাকে মুভি মাফিয়া বলেও সম্বোধন করেছেন তিনি। এছাড়াও তিনি বলেছিলেন, করণ জোহর বা আদিত্য চোপরা এর মতন বড় বড় পরিচালকদের স্বজন পোষণ সুশান্তকে এই মর্মান্তিক পরিণতির দিকে ঠেলে দিয়েছে। এবার আবারও মুখ খুললেন তিনি।

মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্যুইট করে কঙ্গনা বলেন যে বলিউডে মুভি মাফিয়াদের মূল পান্ডা করণ জোহর। তিনি এই অভিযোগও করেন যে অনেক লোকের কেরিয়ার নষ্ট করে এবং জীবন বরবাদ করে নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন করণ জোহর। এতকিছুর পরও তার বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয় নি।

এরপরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর টুইটার হ্যান্ডেলে ত্যাগ করে কঙ্গনা জিজ্ঞেস করেন যে তাদের জন্য আর কোনো আশা আছে কিনা। তার সাথে তিনি এই বলেন যে এইসব শান্ত হলে করণ জোহর তার দলবল নিয়ে কঙ্গনাকে নিশানা বানাবেন!

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য কিছুদিন আগে রিপাবলিক টিভি কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুশান্তের জিম পার্টনার অভিযোগ করেন, করণ জোহর সুশান্তকে নিয়ে ড্রাইভ ছবিটি শুধুমাত্র এইজন্যই করেন যাতে সুশান্ত সেই সময় অন্য কারোর সাথে কোনো কাজ করতে না পারেন!

তবে এই প্রথম না। এর আগেও অভিযোগ ওঠে যে, ড্রাইভ ছবিটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে সুশান্তের সাথে বাকি কোনো আলোচনাই করেননি করণ জোহর! এই ঘটনার পরেই মঙ্গলবার এই বিষ্ফোরক কথা বলেন কঙ্গনা।

বারবারই নানান বিষয় সোশ্যাল মিডিয়ায় তার মত প্রকাশ করেছেন কঙ্গনা। সুশান্ত মৃত্যুর ঘটনায় মাদক যোগ পাওয়ায় যখন তদন্তের জন্য নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো কে দায়িত্ব দেওয়া হয়, তখনও কঙ্গনা বলেছিলেন যে তদন্তকারীরা বলিউডে তদন্ত করতে এলে একাধিক রাঘব বোয়াল কে জেলার ঘানি টানতে হবে। তারসাথে তিনি এও অভিযোগ করেন যে বলিউড ইন্ডাস্ট্রির ৯৯ শতাংশ সুপারস্টার ড্রাগ সেবন করেন এবং এই মাদক সেবন ইনার সার্কেল পার্টি গুলিতেও রমরমিয়ে চলে।

কঙ্গনা সরাসরি অভিযোগ করে বলেছেন, রণবীর কাপুর, রণবীর সিং, অয়ন মুখার্জি এবং ভিকি কৌশলকে রক্ত পরীক্ষা করতে। যাতে স্পষ্ট হয়ে যাবে যে এই অভিনেতা-পরিচালকদের মাদক সেবনের কথা শুধুই রটনা নাকি সত্যি।