করোনা বিধস্থ বলিউড, হাতে নেই কাজ, চরম আর্থিক অনটনে ভুগছেন কঙ্গনা

করোনা বিধ্বস্ত বলিউড। বিগত দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে সারা দেশজুড়ে যেভাবে করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে, তার সবথেকে বেশি প্রভাব পড়েছে বিনোদন জগতের উপর। গত বছর প্রায় ৮ মাস যাবত বন্ধই ছিল। ফলে বিনোদন জগতের কলাকুশলীদের হাতে বিশেষ কাজও ছিল না।

বলিউডের প্রথম সারির অভিনেতা-অভিনেত্রী থেকে শুরু করে অন্যান্য কলাকুশলী, টেকনিশিয়ান, মেকআপ আর্টিস্টরা বিগত দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে এই সমস্যায় ভুগছেন। এদের মধ্যে অনেকেই হয় নতুন পেশা বেছে নিয়েছেন, নতুবা এতদিনের সঞ্চয় ভেঙে কোনও রকমে জীবন অতিবাহিত করছেন। এদের মধ্যে অন্যতম হলেন বলিউডের “কন্ট্রোভার্সি কুইন” কঙ্গনা রানাওয়াত।

ভীষণ সমস্যার মুখে পড়েছেন কঙ্গনা! তার আর্থিক অবস্থার এতটাই অবনতি হয়েছে যে গত বছর থেকেই তিনি আয়কর জমা দিতে পারছেন না! এই নিয়ে অভিনেত্রী নিজেও বেশ বিব্রত। অন্যান্যবার সঠিক সময়ের মধ্যেই আয়কর দিয়ে দেন তিনি। অভিনেত্রীর দাবি, তিনি বলিউডের সকল অভিনেত্রীদের তুলনায় অনেক বেশি আয়কর জমা করেন। তবে তার এই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে করোনা মহামারী!

সম্প্রতি সোশ্যাল সাইটে কঙ্গনা নিজের অসুবিধার কথা জানিয়েছেন। নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তিনি লিখেছেন, “আমি আমার আয়ের ৪৫ শতাংশ আয়কর দিয়ে থাকি। সকলের থেকে বেশি আয়কর আমি দিই। তবে লকডাউনের জন্য হাতে কাজ নেই। তাই এখনও গত বছরের অর্ধেকের বেশি কর দিতে পারিনি। যদিও এ রকম দেরি জীবনে প্রথম বার হল। তবে আমার হাতে কোনও কাজ না থাকার দরুণ আমি গত বছরের আয়করের অর্ধেক অংশ এখনও দিয়ে উঠতে পারিনি!”

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কঙ্গনা নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে মোদি সরকারের প্রবর্তিত ‘‘ইচ ওয়ান পে ওয়ান’’ নিয়ম সম্বন্ধিত খবরটিকেই সোশ্যাল সাইটে তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী। মোদি সরকারের “ইচ ওয়ান পে” ওয়ান নীতির অর্থ হলো, দেশের নাগরিকদের মধ্যে যাদের সামর্থ্য এবং ইচ্ছে আছে, তারা মনে করলে দরিদ্র নাগরিকদের টিকাকরণের খরচ বহন করতে পারেন। কঙ্গনা কেন নিজের অসুবিধার কথা মোদি সরকারের এই বিশেষ পদক্ষেপ সংক্রান্ত খবরের ওপর তুলে ধরলেন? প্রশ্ন উঠছে নেটিজেনের মনে।