‘শারীরিক সম্পর্ক অত্যন্ত জরুরি’, নাতনিকে যৌন জীবন নিয়ে পরামর্শ দিলেন জয়া বচ্চন

শারীরিক সম্পর্কের মজা না থাকলে বিয়ে টেকে না! যৌন জীবন নিয়ে নাতনিকে পরামর্শ দিলেন জয়া বচ্চন

amitabh jaya navya naveli

অমিতাভ বচ্চনের (Amitabh Bachchan) স্ত্রী জয়া বচ্চন (Jaya Bachchan) এখন হামেশাই সোশ্যাল মিডিয়ার লাইমলাইট জুড়ে থাকেন। নতুন ছবির খবর দিয়ে নয়, ইদানিং মিডিয়ার সঙ্গে শত্রুতার জেরে তাকে নিয়ে কিছু বেশিই খবর উঠে আসছে সংবাদ মাধ্যমের পাতায়। রিপোর্টারদের প্রতি তার দুর্ব্যবহার, ক্যামেরা দেখলেই তেড়ে আসা এসব নিয়ে খবরের জেরে জয়া বচ্চন সম্পর্কে ক্রমশ নেতিবাচক ধারণা পোষণ করতে শুরু করেছেন নেটিজেনরা।

অথচ সেই জয়াই তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি বিশেষ করে নাতি-নাতনিদের প্রতি কতটা মোলায়েম, নরম মনের মানুষ তার পরিচয় পাওয়া গেল নাতনি নব্যা নভেলি নন্দার (Navya Naveli Nanda) পডকাস্টে। সেখানে গিয়ে তিনি প্রেম-যৌনতা নিয়ে নাতনিকে খোলাখুলি কিছু দারুণ পরামর্শ দিলেন। দিদার থেকে এমন উপদেশ পেয়ে কার্যত অবাক হয়ে গিয়েছেন নব্যা। সেইসঙ্গে অবাক হয়েছেন তার মা অর্থাৎ অমিতাভ-জয়ার মেয়ে শ্বেতাও।

Navya Naveli Nanda Opens up about Gender Equality

নব্যাকে নিয়ে যে পডকাস্টের আয়োজন করা হয়েছিল তার নাম ‘হোয়াট দ্য হেল নব্যা’। সেখানে প্রেম শীর্ষক আলোচনাতে নাতনির সঙ্গে খোলামেলা আড্ডা দিলেন অমিতাভ-ঘরণী। বললেন, নাতনি যদি বিয়ে না করেই মা হতে চান তাহলে তাতে তার কোনও আপত্তি নেই। বরং তিনি নাতনিকেই সমর্থন করবেন। দিদার মুখে এই কথা শুনে অবাক হয়ে যান নব্যা।

জয়া বলেন, ‘‘তোমার এক জন ভাল বন্ধু থাকা উচিত। তাঁর সঙ্গে সব কিছু খোলামেলা আলোচনা করার পর তুমি তাঁকে বলতেই পারো, ঠিক আছে, আমি সন্তান চাই, যার বাবা হবে তুমি। কারণ আমি তোমাকে পছন্দ করি। তা হলে চলো আমরা বিয়ে করে নিই, কারণ সমাজ তো এটাই চায়। কিন্তু আমি বলতে চাই, তুমি যদি বিয়ে না করেও সন্তানের মা হতে চাও, তা হলেও আমার কোনও আপত্তি নেই।’’

সেই সঙ্গে তিনি আরও বলেন সব সময় নিজের খুব ভাল বন্ধুকেই জীবনসঙ্গী বা সঙ্গিনী হিসেবে বেছে নেওয়া উচিত। এদিন এই মঞ্চে দুজনের মধ্যে যে কথোপকথন চলে তাতে বোঝাই যাচ্ছিল না দিদা-নাতনির মধ্যে কথা হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল যেন দুই বন্ধু, দুই বোনের মধ্যে আলোচনা চলছে। মায়ের মুখে এত খোলামেলা আলোচনা শুনে শ্বেতাও অবাক হয়ে যান। তিনি কিন্তু মায়ের ব্যাপারে সম্পূর্ণ অন্য কথাই বললেন।

শ্বেতা বলেছেন, ‘‘পড়ার বাইরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমাদের আগ্রহ রাখতেই হত। ভারতনাট্যম, শাস্ত্রীয় সঙ্গীত, সাঁতার, পিয়ানো, কত কী যে শিখেছি। মা আমাদের মাঝেমাঝেই চড়-থাপ্পরও মেরে দিতেন। এক বার আমাকে মারতে গিয়ে লাঠি ভেঙে ফেলেছিলেন! ছোটবেলা মায়ের হাতে প্রচুর মার খেয়েছি।’’ দিদা হিসেবে নাতনির সঙ্গে খোলামেলা সম্পর্কে থাকলেও মা হিসেবে তিনি যে খুব কড়া মেজাজের ছিলেন, শ্বেতার কথায় তা প্রমাণ হয়ে যায়।