বলিউডে নেই কাজ, হোটেল ব্যাবসা করেই কোটিপতি মিঠুন চক্রবর্তী

ভারতের এই ৫ টি বিলাসবহুল হোটেলের মালিক মিঠুন চক্রবর্তী

বলিউডের (Bollywood) ‘ডিস্কো ড্যান্সার’ মিঠুন চক্রবর্তীকে (Mithun Chakraborty) আজ আর সেরকম কোনও ছবিতে অভিনয় করতে দেখা যায় না। কেবল কিছু নাচের প্রতিযোগিতায় বিচারকের আসনে উপস্থিত থাকেন তিনি। তবে সেরকমভাবে কাজের সঙ্গে জড়িত না থাকলেও মিঠুন চক্রবর্তীর বার্ষিক উপার্জন কিন্তু কোটির নিচে নয়। কিভাবে? জানুন এই প্রতিবেদন থেকে।

মিঠুন চক্রবর্তী, অভিনেতা ছাড়াও তার আরেকটি পরিচয় রয়েছে। তিনি একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৪ কোটি ডলার! অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ২৫০ কোটি টাকার সমান। কাজেই হাতে কোনও কাজ না থাকলেও আসলে সংসারের ভরণপোষণ চালানোর জন্য তার আলাদা করে কোনও কাজ করার দরকার পড়ে না। বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন মিঠুন চক্রবর্তী এবং তার পরিবার।

একটা সময় ছিল যখন মিঠুন চক্রবর্তীকে দারিদ্র্যকে সঙ্গে নিয়েই জীবন কাটাতে হয়েছে। সেই সময় বলিউডে তার তেমন পরিচিতি ছিল না। তবে আজ তিনি বলিউডের ধনী অভিনেতাদের মধ্যে অন্যতম নাম। বিগত প্রায় কয়েক দশক ধরে একের পর এক ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। তার মাঝেই তিনি বানিয়ে ফেলেছেন ৫টি বিলাসবহুল রাজপ্রাসাদের মতো হোটেল।

সারা ভারতবর্ষ জুড়ে বিলাসবহুল ৫টি ফাইভ স্টার হোটেলের মালিক মিঠুন চক্রবর্তী। মোনার্ক গ্রুপ অফ হোটেলের মালিক মিঠুন চক্রবর্তী। এছাড়া উটি এবং মাসিনাগুড়িতে তার দুটি বিলাসবহুল হোটেল রয়েছে। এরমধ্যে তামিলনাড়ুর উটিতে মিঠুন চক্রবর্তীর হোটেলটি বেশ সুন্দর এবং সেটি একটি মনোরম স্থানে অবস্থিত। ভেতর থেকে শুরু করে বাইরে পর্যন্ত একেবারে ছবির মতো সুন্দর এই রাজপ্রাসাদের মতো হোটেল।

চারিদিকে সবুজ ঘেরা নৈসর্গিক দৃশ্য, তার মাঝে লাল এবং সাদা রংয়ের সংমিশ্রণে সুন্দর করে সাজানো হয়েছে হোটেল। হোটেলের ভিতরটাও বেশ জমকালো। সেখানে সমস্ত সুযোগ-সুবিধা রয়েছে অতিথিদের জন্য। রয়েছে ৫৯টি প্রিমিয়াম রুম এবং ৪টি বিলাসবহুল সজ্জিত স্যুট রয়েছে।

বিলাসবহুল সুইমিংপুল, ইনডোর প্লে জোন, মিডনাইট কাউবয় বার, ডিস্কোসহ মাল্টি ক্যুইজিন রেস্টুরেন্টও রয়েছে হোটেলের অন্দরে। হোটেল থেকে বেরোনোর পথে রয়েছে সুন্দর করে সাজানো বাগান। হোটেলের মধ্যে রয়েছে একটি হেলিপ্যাড। এছাড়াও অতিথিদের জন্য হোটেলের অন্দরেই হাঁটার ব্যবস্থাও রয়েছে। হোটেলের ভিতরটাও সুন্দর করে লাইট দিয়ে সাজানো রয়েছে, এতে হোটেলের সৌন্দর্য বহু গুণে বেড়ে গিয়েছে।

একটি চলচ্চিত্রের শুটিংয়ের জন্য উটিতে গিয়েছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। উটির সৌন্দর্য তার মন ছুঁয়ে যায়। তবে মুম্বাইয়ের কাজের জন্য তার পক্ষে সেখানে থাকা সম্ভব হয়নি। তখনই তিনি সেখানে একটি সুন্দর হোটেল তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। তার পক্ষে যখন বাইরে থাকা সম্ভব হয়নি, তখন তিনি উটিতেই একটি হোটেলের ব্যবসা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন। প্রায়শই পরিবার নিয়ে এখানে ছুটি কাটাতে আসেন তিনি।