মায়াপুরে বিশ্বের সবথেকে বড় মন্দিরের অন্দরমহলের কিছু ছবি

শ্রী চৈতন্যদেব মহাপ্রভুর স্মৃতিবিজড়িত রাজ্যের অন্যতম তীর্থক্ষেত্র নবদ্বীপ ও মায়াপুর। আর এই মায়াপুর হলো ইসকনের হেডকোয়ার্টার। তাই চৈতন্যদেবের ঐতিহ্যমন্ডিত স্মৃতিকে আঁকড়ে ধরে রেখে মায়াপুরের বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে অজস্র কৃষ্ণ বন্দনার স্থান। আর এই মায়াপুরেই তৈরি হচ্ছে বিশ্বের সবথেকে বড় মন্দির – ইসকন। এক লক্ষ স্কোয়্যার ফিট জায়গা জুড়ে তৈরি হচ্ছে এই মন্দির। কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। অপেক্ষা হয়তো আর বছর দুয়েক।

Source

 

‘বেদিক প্লানেটারিয়াম’ নামে এই মন্দির কেবলমাত্র বিশ্বের সবথেকে বড় মন্দির হতে চলেছে তা নয়, এটি হয়ে উঠবে আধুনিককালের এক বিরাট প্রাসাদ। তবে এই মন্দির কবে থেকে সর্বসাধারণের জন্য খোলা হবে তা নিয়ে আকুলতা রয়েছে বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি পর্যটকদের মধ্যে। যেভাবে কাজ চলছে তাতে মনে করা হচ্ছে আগামী ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেই এই মন্দির সর্বসাধারণের জন্য খুলে যেতে পারে।

Source

কীভাবে সাজানো হচ্ছে এই মন্দিরকে?

এই মন্দিরকে সাজানো হবে বিশাল বড় বড় ঝাড়বাতি দিয়ে। এখনো পর্যন্ত দু’কোটি কিলোগ্রাম সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে এই মন্দির নির্মাণের জন্য। প্রতিটি ফ্লোরের আকার হবে ১ লক্ষ স্কোয়্যার ফুট। মন্দিরের গম্বুজ হবে বিশ্বের সবথেকে বড় ও সম্পূর্ণ আলাদা ধরনের। বিশেষ নীল রঙের বলিভিয়ান মার্বেল ব্যবহার করা হয়েছে ৩৮০ ফুট এই মন্দির নির্মাণে। বেদের সংস্কৃতি গোটা বিশ্বে ছড়ানোর উদ্দেশ্যে এই মন্দির প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য স্থাপত্যের মিশ্রনের প্রভাব সহ তৈরি হচ্ছে।

Source

মন্দিরে আধুনিকতার ছোঁয়া

প্রায় বছর দশেক ধরে তৈরি হওয়া এই মন্দির সম্পূর্ণতা লাভ করলে মন্দির থেকে প্রার্থনা লাইভ সম্প্রচার করা হবে বিশ্বজুড়ে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে প্রার্থনার সময়। বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ বাড়িতে বসেই দেখতে পাবেন মন্দিরের প্রার্থনা।

Source

মন্দির নির্মাণের জন্য ভারত ছাড়াও ভিয়েতনাম থেকে বিপুল পরিমাণে মার্বেল আনা হয়েছে। এই মন্দির নির্মাণের পর একসঙ্গে ১০ হাজার ভক্ত উপাসনা করতে পারবেন বলে জানা গিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে।