১ লা জুন থেকে চলবে ২০০টি প্যাসেঞ্জার ট্রেন, দেখুন ট্রেনের তালিকা

কোথা থেকে কোথায় চলবে ট্রেন, দেখে নিন ১৫ জোড়া স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচি

করোনা আবহের মাঝেই আগামী ১লা জুন থেকে নতুন করে ভারতীয় রেল রোজ ২০০টি করে প্যাসেঞ্জার ট্রেন চালাবে। ট্রেনগুলি চলবে কেন্দ্র সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে। এর আগেও দিল্লি থেকে দেশের ১৫ টি বড় শহরের মধ্যে ১৫ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল দপ্তর, যা চলছে। সেগুলির পাশাপাশি এবার আরও ২০০টি বিশেষ প্যাসেঞ্জার ট্রেন চালু হচ্ছে। এছাড়াও শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন যেমন চলছিল তেমনই চলবে। আর এই ট্রেনগুলি কোন শহর থেকে কোন শহরের মধ্যে চলবে সেই তালিকা প্রকাশ করলো রেল দপ্তর।

ভারতীয় রেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে নতুন করে চলাচল শুরু করতে চলা ২০০টি প্যাসেঞ্জার ট্রেনের বুকিং বৃহস্পতিবার সকাল দশটা থেকে শুরু করা হয়েছে। টিকিট বুকিং করা যাবে একমাত্র অনলাইনে। আইআরসিটিসির অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে এই ট্রেনগুলির টিকিট বুক করা যাবে। আর এই ২০০টি অর্থাৎ ১০০ জোড়া ট্রেনের তালিকায় যুক্ত হয়েছে শতাব্দী এক্সপ্রেস, দুরন্ত এক্সপ্রেসের মত ট্রেন। তবে এই ট্রেনগুলি আগামী দিনে চলবে নন এসি কোচ নিয়ে।

২০০টি প্যাসেঞ্জার ট্রেনের তালিকা

ট্রেনে চড়ার ক্ষেত্রে শর্তাবলী

১) কেবলমাত্র আইআরসিটিসি অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে বুক করা অনলাইন টিকিট বৈধ হিসাবে গণ্য করা হবে। এজেন্টের মাধ্যমে বুকিং করা টিকিট বৈধ বলে গণ্য করা হবে না।

২) সবথেকে বেশি ৩০ দিনের অ্যাডভান্স টিকিট বুক করে রাখা যাবে।

৩) ওয়েটিং লিস্টে থাকা যাত্রীদের ট্রেনে চড়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।

৪) UTS এর মাধ্যমে টিকিট বুক করা যাবে না। এছাড়াও তৎকাল অথবা প্রিমিয়াম তৎকালের কোন টিকিট এই সকল ট্রেনগুলির ক্ষেত্রে দেওয়া হবে না।

৫) ট্রেন ছাড়ার চার ঘণ্টা আগে প্রথম তালিকা প্রকাশ করা হবে। আর দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ করা হবে ট্রেন ছাড়ার দু’ঘণ্টা আগে।

৬) ট্রেনে চাপার আগে সমস্ত যাত্রীদের স্ক্রিনিং করা হবে। যে সকল যাত্রীর কোন রকম উপসর্গ থাকবে না তাদেরই ট্রেনে চড়ার অনুমতি দেওয়া হবে।

৭) যেসকল যাত্রীদের টিকিট রয়েছে তারাই কেবলমাত্র স্টেশনে প্রবেশ করতে পারবেন। যেহেতু এখনও প্লাটফর্ম টিকিট চালু হয়নি তাই অন্য কেউ স্টেশনে প্রবেশ করতে পারবেন না।

৮) যাত্রাকালে প্রতিটি যাত্রীর বাধ্যতামূলকভাবে মুখ ঢেকে রাখা অথবা মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

৯) যাত্রীদের খুব কম করে ৯০ মিনিট আগে স্টেশনে আসতে হবে। স্ক্রিনিং এবং অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য।

১০) রেল স্টেশন এবং ট্রেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক।