বউ কে বশ করবেন কিভাবে ? জেনে নিন কিছু সহজ উপায়

3711

বলা হয়ে থাকে “সংসার সুখী হয় রমনীর গুনে”। পরিবার মানেই স্বামী স্ত্রীর মিলিত প্রচেষ্টা দ্বারা নির্মিত এক সংসার। যেখানে উভয়েরই সমান দায়িত্ব। পরিবারকে যদি এক রাজ্যের সঙ্গে তুলনা করে থাকি তাহলে স্বামী অবশ্যই সেই  রাজ্যের রাজা এবং স্ত্রী রানী। রাজা যেমন তার রাজ্য পরিচালনা করেন দক্ষতার সঙ্গে, তেমনি স্বামীকেও তার পরিবার অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে চালাতে হয় তার পরিবার। আর এই কাজে তার একমাত্র বিশ্বস্ত সেনাপতি তার স্ত্রী। উভয়ের মিলিত প্রয়াসের উপর গড়ে উঠে এক সুখী সংসার।আমরা যদি সুখী পরিবার বা বিখ্যাত পরিবারগুলোকে দেখি, তাহলেই বুঝতে পারবো তারা কীভাবে অত্যন্ত ভালোবাসা ও কর্তব্যবোধ নিয়ে তাদের পরিবার পরিচালনা করে থাকেন। যদিও প্রত্যেক পরিবারের চাহিদা ও বৈশিষ্ট আলাদা। অর্থাৎ সংসারের সুখ শান্তির বেশিরভাগ বোঝা বইতে হয় সেই সংসার কর্ত্রীর উপর। আর নারী মন সদাই চঞ্চল। তার মন বুঝে কাজ করা অনেক সময় সম্ভব হয়ে  ওঠে না। আর তার ফলেই তৈরি হয় মান অভিমান। আর যার প্রভাব পড়তে থাকে সংসারে।

আজকের দিনে যদিও একান্নবর্তী পরিবারের সংখ্যা অনেক কম যা দেখা যায় তা শুধু গ্রামে গঞ্জেই দেখা যায়। আর  এইসব পরিবারের উন্নতির পিছনে যে কতোটা আত্মত্যাগ করতে হয় পরিবারের কর্তা ও কত্রীদের তা আর নতুন করে বলার প্রয়োজন হয় না। তারা যেমন একদিকে কড়া হাতে রাখেন পরিবারের সদস্যদের, তেমনি ভালোবাসা দিয়ে কাছেও টেনে নেয় তাদের। অর্থাৎ পরিবারের সুখের জন্য তারা সবরকম সিদ্ধান্তই নিয়ে থাকে। আর এই পরিবারের উন্নতি করতে গিয়ে অনেক সময় পরিবারের অন্যতম মাথা অর্থাৎ গৃহকর্তা ও কত্রীর মধ্যেই শুরু হয় অভিমানের খেলা। সাময়িক ভুলবশত কোনো কথাউভয়ের মনেই গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করতে পারে। তাই সময় সময় চাই এই এই সম্পর্কের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটানো। তবে বর্তমানে ছোটো পরিবারের ক্ষেত্রে যেখানে স্বামী স্ত্রী আর সন্তানদের নিয়েই পরিবার সীমাবদ্ধ সেখানে অনেক বেশি  দায়িত্ব নিতে হয় স্বামী স্ত্রীদের। বাড়ির যাবতীয় কাজ করেও স্ত্রীকে খেয়াল রাখতে হয় সন্তানদের ভালো মন্দের কথা। তাদের পড়াশোনা ঠিক রাখার প্রচেষ্টা করতে হয় শৈশব থেকেই।ছোটো পরিবারে যেহেতু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্বামী তার বেশিরভাগ সময় কাটায় অফিসে বা তাদের কর্মস্থানে তাই সংসারের উন্নতির বা পরিবারের সফলতা অনেক বেশি নির্ভর করে বাড়িতে যিনি বেশি সময় কাটায় তার উপর অর্থাৎ স্ত্রীর উপর।

আর এতো কিছু করেও যখন স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ছোটো কোনো বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য তৈরি হয় তখন শুরু হয় একে অপরকে দোষারোপের পালা। এই সময় কেউই একে অপরকে এক ইঞ্চি জমিও ছেড়ে দিতে রাজি থাকে না। প্রেমের পর বিবাহের মাধ্যমে যে সুন্দর সম্পর্ক গড়ে ওঠে তা যেন তখন বালির বাঁধের মতোই ক্ষণস্থায়ী হয়ে ওঠে। আর মনের মধ্যে যদি একবার দূরত্ব তৈরি হয় তাহলে সেই দূরত্ব বাড়তেই থাকে সময়ের সাথে সাথে। চরম পরিণতি হিসাবে দেখা যায় বিবাহ বিচ্ছেদের মতো ঘটনা। তাই কবি গুরু রবীন্দ্রনাথের কথায়,”  সুখী দাম্পত্য টিকিয়ে রাখতে গেলে, তা অবশ্যই নিত্যনতুন ও আকর্ষণীয় হতে হবে, তবেই সংসারের একঘেয়েমি কাটানো সম্ভব।”

প্রেম প্রত্যেকের জীবনে আসে। অনেকেই তাকে ঘিরে তৈরি করে নিজের ভালোলাগার জগৎ। যাকে নিয়ে তৈরি করি মননে অনেক  স্বপ্ন। আর সেই ভালোবাসার মানুষকে নিয়ে প্রতিজ্ঞা করি একসাথে কাটাবো সাত জন্মের সম্পর্ক। আর এরই মধুর উন্মেষ ঘটে যখন চার হাত একসাথে মিলে যায় ছাতনা তলায় সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে। আর এখানেই শুরু হয় দুজন মিলে কাটানোর প্রতিশ্রুতি। যা টিকিয়ে রাখতে হয় সারা জীবন জুড়েই।দুজন জানা মানুষের মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্কে যেমন থাকে  সম্পর্কের টানাপোড়েন, তেমনি এক অজানা মেয়ে বা ছেলেকে নিজের স্ত্রী বা স্বামী রূপে পেয়ে তার সকল পরিস্থিতিতে পাশে থাকার মধ্য দিয়ে তৈরি হয় এক সহজাত ভালোবাসা। যা এই সম্পর্কের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। বিয়ের মাধ্যমে প্রেমিক প্রেমিকার যে আইনসঙ্গত সসামাজিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে, তা টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব দুজনেরই,অর্থাৎ স্বামী স্ত্রীর উভয়েরই। তবে আজও আমাদের মতো দেশে সংসারে স্বামীর ভূমিকা আজও বড়ো, কারণ সে পুরুষ মানুষ ও বয়সে অবশ্যই বড়ো। তার বোধের পরিধি অনেকবেশি। তবুও বেশ কিছু ক্ষেত্রে পুরুষের মধ্যে তার পছন্দের নারীর প্রতি অর্থাৎ স্ত্রীর প্রতি তৈরি হয় বিরক্ততা বা ভুল বোঝাবুঝি।

স্ত্রীকে ভুল বোঝার কয়েকটি সাধারণ ঘটনা

১) সারাদিনে অনেকটা সময় বাপের বাড়ির লোক বিশেষ করে মা বাবা ও বোনেদের সঙ্গে গল্প করে কাটায় ,সদ্য বিবাহিতা মেয়েরা।আর এর ফলে স্বামীর মনে বা শশুর শাশুড়ির মনে তৈরি হয় এক বিরক্ততা বোধ।

২) আপনার স্ত্রীর পুরুষ বন্ধু বা বন্ধুরা যদি বিয়ের পরও তার সাথে টেলিফোনে বা মোবাইলে এখনও সম্পর্ক বজায় রাখে ,তা সে যতই স্বাভাবিক হোক না কেন স্বামীর মনে অহেতুক সন্দেহ সৃষ্টি করে।

৩) সদ্য বিবাহিত  অচেনা মেয়ে  বা প্রেমিকা যখন আপনার পরিবারে এসে আপনার পরিবারের মানসিকতা ও আচার আচরণ নিয়ে আপনার কাছে মত বিরোধ প্রকাশ করে তখন তার দায়বদ্ধতার প্রতি আপনার মনে সন্দেহ তৈরি হয়। আপনার স্ত্রীর ছোটখাটো সকল বিষয়ে অতিরিক্ত আবেগ প্রকাশ করা আপনার মনে বিরক্তির প্রকাশ করে।

৪) আপনার প্রেমিকা স্ত্রী যখন আপনার সকল বিষয়ে অহেতুক হস্তক্ষেপ করে ,তখন আপনার মধ্যে তৈরি হয় বিরক্তিবোধ।

৫) এছাড়াও বাপের বাড়িতে আপনার স্ত্রীর অনেক বেশি দিন ধরে কাটিয়ে আসাও আপনার প্রতি ভালোবাসা নিয়ে অহেতুক সন্দেহ তৈরি করে।

৬) আপনারা দুজনেই যদি চাকুরিজীবি হয়ে থাকেন তাহলে পদের পার্থক্য অনুযায়ী পরস্পর অহং বোধ তৈরি হয় যা আপনাকে স্ত্রীর সামনে ছোটো করে দেয়।

৭) এছাড়াও সঞ্চয়ের দিকে খেয়াল না দিয়ে অহেতুক বাড়তি জিনিস কিনে ঘর  বোঝাই করাও হিসেবি মধ্যবিত্ত স্বামীদের মনে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে।

৮) আপনার ছোট খাটো ভুলেই সারা বাড়ি জুড়ে অহেতুক বাড়তি কথা বলা ,আপনাকে অপদস্থ করার মানসিকতা স্ত্রীর প্রতি স্বামীর সহজাত ভালোবাসা নষ্ট করে দেয়।

৯) এছাড়াও আপনার স্ত্রীর আপনার বাড়ির লোকজন যেমন বাবা, মায়ের বা  বোন ভাইয়ের প্রতি খারাপ ব্যবহার ,অমার্জিত কথাবার্তা আপনার মনে স্ত্রীর প্রতি  সন্দেহ তৈরি করে।

১০) আপনার ভালোলাগা খারাপ লাগার প্রতি গুরুত্ব না দিয়ে নিজের ভালো লাগার উপর গুরুত্ব দেওয়া।

সমস্যা সমাধানের উপায়

প্রথমেই আপনাকে বুঝতে হবে,আপনার প্রেমিকা যাকে আপনি বিয়ে করে বাড়িতে নিয়ে এসেছেন  বা কোনো অল্প চেনা মেয়ে যাকে হয়তো কয়েকবার সাক্ষাতে আপনার স্ত্রী করেছেন তারও আছে এক নিজস্ব সত্তা। তাকে যেমন স্বাধীন ভাবে বাঁচার ছাড়পত্র দিতে হবে, তেমনি তাকে ভালোবাসা দিয়ে বোঝাতে হবে সুখী সংসার করার মূলমন্ত্র।কখনোই যেন স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কে  প্রভাব বা প্রতিপত্তি না থাকে। আপনি বাড়ির একমাত্র রোজগেরে মানুষ মানেই যে আপনি যা বলছেন তাই করতে হবে তাতে স্বামী স্ত্রীর সহজাত ভালোবাসার সম্পর্কের অশুভ পরিণতি শুরু হয়ে যায়। স্ত্রী যে সম্পূর্ন নতুন পরিবেশে এসে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করছে তাকে দিতে হবে সাহস। তার সামান্য ভুলভ্রান্তি বড়ো করে তার সামনে তুলে ধরলে চলবে না। তাকে বোঝাতে হবে তুমিও এই পরিবারের একজন গুরুত্বপূর্ন সদস্যা। তার হাতেই আছে এই পরিবারের সকল ভালোমন্দের চাবিকাঠি। তার ভালো লাগা খারাপ লাগাকে মর্যাদা দিতে হবে। সে হয়তো একটু বেশি আবেগপ্রবণ তাই তার আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করা শেখাতে হবে। তাকে সময়ে সময়ে দিতে হবে উপহার, তা সে মূল্যে যতই তুচ্ছ হোক না কেন। তাহলেই সে আপনার পরিবারকে আলাদা বলে ভাববে না। তাকে নিয়ে ছুটির দিনে বাইরে বেরিয়ে আসতে পারেন। আপনার শশুরবাড়িতে গিয়ে তার নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার কথা ,তার ঘরকে পরিচালনার কথা সবাইকে জানাতে হবে আপনাকেই। তবেই তার মনে তৈরি হবে সংসার সুখী রাখার কৌশল।

আমরা অনেকেই জানি মেয়েরা একটু খরচ করতে ভালোবাসে, তাই তাকে অহেতুক বেহিসেবি না বলায় ভালো। তার চেয়ে আপনি যদি আপনার সারা মাসের উপার্জনের একটা বড়ো অংশ তাকে দিয়ে যদি সংসার চালানোর কাজে অনুপ্রাণিত করতে পারেন, তো দেখবেন আপনার এই বেহিসেবি স্ত্রী আপনার প্রয়োজনে তার জমানো অর্থ দিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে।তাই প্রথমেই রাখতে হবে ,একে অপরের  উপর বিশ্বাস।আর এই বিশ্বাসের হাত ধরেই বার্ধক্য পর্যন্ত কাটিয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার করতে হবে। আপনার প্রেমিকাকে বউ হিসাবে পেলে  সেই পুরানো প্রেমকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে নিত্যনতুন ভাবে। তার ভালোমন্দ যা আপনি প্রেম করার সময় খেয়াল রাখতেন তা বর্তমানেও রাখতে হবে মনে। তার মনে যেন এক বারের জন্য মনে না হয় আপনি সময়ের সাথে সাথে পাল্টে যাচ্ছেন।

আপনার  সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী যে আপনার বাড়ির আচার আচরণ নিয়ে  সম্পূর্নই অনভিজ্ঞ তাকে ধীরে ধীরে জানাতে হবে আপনার বাড়ির মর্যাদার কথা, আপনার বংশের গৌরবের কথা। সে যখন জানবে সবকিছু তখন নিজেকেও সেই পরিবারের একজন হিসাবে ভাবতে শুরু করবে। তখন সেই পরিবারের সম্মান তার কাছে নিজের সম্মান বলেই মনে হবে। সে হয়তো বাপের বাড়িতে রান্নার কাজ খুব একটা ভালো করে শিখে উঠতে পারে নি, কারণ তার সময় কেটেছে স্কুল, কলেজে ও বাবা মায়ের ভালোবাসার সান্নিধ্যে। আর তাই এখানেও তাকে জোগাতে হবে সাহস, বাড়ির মা বা দিদিরা তাকে রান্নার কাজে বেশ কিছুদিন  সামনে থেকে দেখিয়ে দেবে সবকিছু।তার রান্না করা খাবারের প্রশংসা না করলেও বদনাম করবেন না। তাকে নিত্যনতুন রান্নায় উৎসাহিত করুন। আর এই কাজে তাকে আপনি সাহায্য করতে পারেন। বা বর্তমানের ইউটিউবের যুগে প্রযুক্তির সাহায্যে সকল বাধাকে কাটিয়ে উঠতে পারবে আপনার সহধর্মিনী। এই ভরসাটা তাকে যোগান সবসময়। সারাদিনের ব্যস্ত সময়ে আপনি হয়তো অফিসে কাটিয়ে এলেন ,আর তারপর বাড়ি ফিরে আপনাকে ক্লান্তিতে গ্রাস করেছে, তবুও আপনি আপনার স্ত্রীর কাছে শুনুন তার সারাদিনের কর্মকান্ডের কথা। এইভাবেই তার ভালো বন্ধু হয়ে উঠুন।তাহলে দেখবেন আপনি পাশে থাকলে তার হাতে আর মোবাইল থাকবে না। তারচেয়ে আপনার সাথে কথা বলেই আপনার স্ত্রী সবচেয়ে বেশি খুশি থাকবে। আপনার চাকুরিজীবি স্ত্রীকে আপনার ছুটির দিনে রান্না করে খাওয়ান ,দেখবেন তাতে সম্পর্কের বন্ধন আরও দৃঢ় হবে। আর দুজনেই যদি সংসারের কাজ ভাগ করে নিতে পারেন তাহলে তো কোনো কথাই নেই,তা সে রান্না করার কাজই হোক বা বাড়ি সাজিয়ে রাখার কাজ।ছুটির দিনে বাড়তি সারপ্রাইজ বলতে তাকে দিতেই পারেন সিনেমা হলে তার পছন্দের নায়িকা ও নায়কের সিনেমা দেখার সুযোগ করে দেওয়া।বা আবার দুজনে মিলে বেরিয়ে পড়তে পারেন সামনাসামনি কোনো ঘোরার জায়গা। একটা দিন আনন্দে কাটিয়ে আসতেই পারেন।

এভাবেই সুখে থাকার অনেক স্মৃতি যখন দুজনের মস্তিষ্কে জমা পড়বে তখন দেখবেন দাম্পত্য প্রেম অনেকটাই বাড়ছে। তবে দুই থেকে আপনারা যখন তিন হবেন অর্থাৎ যখন সংসারে আসবে এক ফুটফুটে শিশু তখন যেন শিশুর  বেড়ে ওঠার সকল কাজেই থাকবে পরস্পর সাহায্য। আপনার স্ত্রীকেই যে বাড়ির সব কাজ করেও সন্তানের যত্ন নিতে হবে তা কিন্তু নয়। আপনি হয়তো বাড়িতে আছেন, তখন শিশুর খাবারের জন্য জল গরম করে দেওয়া ,বা শিশুকে নিয়ে সময় কাটানো এইসব অবশ্যই করতে হবে। আপনাদের উভয়ের ভালোবাসায় সন্তানের মধ্যে তৈরি করবে সকল ভালো গুন যা পরবর্তী সময়ে অর্থাৎ আপনাদের বার্ধক্যে, ফিরে পাবেন সুদসহ। বাড়ি তখনই সুখী হবে যখন স্বামী স্ত্রী দুজনেই তাকে ঠিক রাখার চেষ্টা করবে। কোনও একজনের একক চেষ্টার দ্বারা সংসার সুখী রাখা যায় না।