শিশুকন্যাকে ধর্ষণ : ঐতিহাসিক রায় আদালতের

81

ঘটনা ২০১৩ সালের, এক শিশুকন্যাকে উঠিয়ে নিয়ে ধর্ষণ করে এক ব্যক্তি। ধর্ষণের পর ওই শিশু কন্যাকে মেরেও ফেলা হয়। পুলিশের জালে ধরা পড়ে যায় ধর্ষক। তারপর থেকেই চলছিল দোষী ওই ব্যক্তির বিচার পর্ব। বিচার করবে আজ আদালত ঐতিহাসিক রায় দান করল যা প্রতিটি ধর্ষকের ক্ষেত্রেই হওয়া উচিত।

২০১৩ সালের জুলাই মাসে খিদিরপুর উড়াল পুলের নিচ থেকে এক শিশুকন্যাকে উঠিয়ে নিয়ে যায় সুরেশ পাসওয়ান নামে এক ব্যক্তি। সেই শিশুকন্যাকে তিনি ধর্ষণ করেন। পরের দিন সকালে একটি নিকাশি নালা থেকে উদ্ধার হয় ওই শিশু কন্যার মৃতদেহ। ঘটনায় অভিযুক্ত থাকার কারণে পুলিশ সুরেশ পাশওয়ান নামে এক ব্যাক্তিকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনায় পুলিশ তার বিরুদ্ধে পকসো আইনে ধর্ষণ, অপহরণ এবং খুনের মামলার এনেছিল। বিচার চলাকালীন ওই ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত হয়। তারপর আজ ছিল ওই ব্যক্তির সাজা ঘোষণা।

সাজা ঘোষণা করতে গিয়ে কলকাতা নগর দায়রা আদালত ওই ব্যক্তিকে ভারতীয় আইনের সর্বোচ্চ সাজা শোনায়। ওই ব্যক্তিকে শোনানো হয় ফাঁসির সাজা। সাজা শোনানোর সময় আদালতের বিচারক এও বলেন, ওই শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনা খুবই নৃশংসজনক অপরাধ। ফাঁসিই হলো এর একমাত্র সাজা।

ধর্ষকদের প্রতি দেশের সমস্ত মানুষের সর্বোচ্চ সাজা প্রদানের আবেদন থাকে। সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যান্য মাধ্যমের লক্ষ্য করা যায় সর্বোচ্চ সাজা ঘোষণার পক্ষে নিজেদের মতবাদ জানাতে। কিন্তু তা সব সময় হয়ে ওঠে না, হয়ে ওঠে না বলা ভুল – তাই চোখে চোখ তুলে দেখিয়ে কামদুনি, দিল্লির রাজপথে দামিনীর ধর্ষণ। ধর্ষকের শাস্তি সর্বোচ্চ হলেই দেশে ধর্ষণ বন্ধ হওয়া সম্ভব হয়ে উঠতে পারে বলেও অনেকের মত।

Loading...