মারণরোগে আক্রান্ত দয়াবেন, হারিয়েছেন কথা বলার ক্ষমতা, মুখ খুললেন অভিনেত্রীর ভাই

মারণ রোগে আক্রান্ত হয়ে চরম অসুস্থ দয়াবেন, হারিয়েছেন কথা বলার ক্ষমতা

হিন্দি টেলিভিশনের (Hindi Television) অন্যতম জনপ্রিয় শো ‘তারক মেহতা কা উল্টা চশমা’র দয়াবেনের ভীষণ বিপদ। কমেডি নির্ভর এই সিরিয়াল দেখে এতদিন মনের ভার লাঘব করেছেন দর্শকরা। বিশেষত এই সিরিয়ালে জেঠালাল এবং তার স্ত্রী দয়াবেনের (Dayaben) চরিত্র দুটো দর্শকদের মনের মধ্যে গেঁথে গিয়েছে। বছরের পর বছর ধরে তারা দর্শকদের হাসানোর দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন কাঁধে। অথচ সেই দয়াবেনের সম্পর্কে সম্প্রতি এমন এক খবর পাওয়া গেল তাতে ভক্তদের মন এখন ভারাক্রান্ত।

দয়াবেনের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন দিশা ভাকানি (Disha Vakani)। তবে এত জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও বেশ কিছু সময় ধরে তাকে আর শো-তে দেখা যাচ্ছে না। তাই পর্দাতে তাকে মিস করছিলেন দর্শকরা। দয়াবেন আবার কবে পর্দায় ফিরবেন এই প্রশ্ন এতদিন ভক্তদের মনের মধ্যে ঘুরপাক খেত। কিন্তু বর্তমানে তার যে শারীরিক অবস্থার কথা জানা যাচ্ছে তাতে তিনি আর কখনও পর্দার সামনে আসতে পারবেন কিনা সেই নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

সম্প্রতি খবর রটেছে যে দয়াবেন ওরফে অভিনেত্রী দিশা ভাকানি নাকি গলার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে গলার আওয়াজ সম্পূর্ণ বদলে তারক মেহতাতে অভিনয় করার জন্যই নাকি দয়াবেনের আজ এই হাল হয়েছে! বিগত কয়েকদিন ধরেই বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এই খবর নিয়ৈই চর্চা চলছে। দিশার সম্পর্কে এই দুঃসংবাদ শুনে ভক্তদের মন তো বেজায় খারাপ।

এও শোনা যাচ্ছে স্বাস্থ্যের অবনতির কারণেই নাকি শো থেকে বিরতি নিয়েছেন দিশা। অবশেষে এই বিষয়ে মুখ খুললেন দয়াবেনের ভাই সুন্দর চরিত্রের অভিনেতা ময়ূর ভাকানি। ময়ূর অবশ্য জানিয়েছেন দিশার সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমগুলিতে যে খবর রটেছে তা সম্পূর্ণ ভুয়ো। যদিও বাস্তবে অবশ্য গলার উপর চাপ দিয়ে অভিনয় করার কারণে সত্যি সত্যিই দিশার শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়।

তবে ময়ূর ভক্তদের স্বস্তি দিয়ে জানিয়েছেন, ‘‘সংবাদমাধ্যমে দেখানো এই ধরণের সকল সংবাদ মিথ্যে এবং এই ধরণের কোনও দাবি সত্যি নয়। উনি (দিশা) সুস্থ আছেন। রোজই আম্প্রা ওনার ব্যাপারে নানান ধরণের গুজব শুনতে পাই। তবে অনুরাগীদের এমন সংবাদে বিশ্বাস করার কোনও প্রয়োজন নেই’’। দিশার সম্পর্কে যে খবর রটছে তা গুজব বলেই উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, অভিনয়ের সময় গলার উপর চাপ দিয়ে অদ্ভুত আওয়াজে কথা বলার জন্য ২০১০ সালে একবার দিশার শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। তখন তাকে মুম্বাইয়ের একটি নামী হাসপাতালে নাক-কান গলার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হয়েছিল। আসলে প্রতিবার এই আওয়াজে কথা বলা এক কথায় ভীষণ কঠিন। তবে এর জন্য দিশা ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানান যে গলায় কোনও খারাপ প্রভাব পড়েনি।