অবশেষে জানা গেল ট্যাক্সি চালানো শিখে রাতারাতি কীভাবে উকিল হল উর্মি

ট্যাক্সি চালানো শিখে ওকালতি! সাত্যকিকে বাঁচাতে উকিল হয়ে তুমুল ট্রোলের মুখে উর্মি

Here is How Urmi Became a Lawyear on Ei Poth Jodi Na Sesh Hoye

বাঙালির কাছে শ্রেষ্ঠ বিনোদনের জায়গা ধারাবাহিক। বাংলার প্রধান প্রধান টেলিভিশন (Bengali Telivision) চ্যানেলের একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিকের মধ্যে যার নাম না দিলেই নয় তার মধ্যে একটি, ‘এই পথ যদি না শেষ হয়’ (Ei Poth Jodi Na Sesh)। নিত্য নতুন টুইস্টে দর্শকের আকর্ষণ ধরে রেখেছে এই ধারাবাহিক। তবে নিত্যনতুন টুইস্ট আনতে গিয়ে ধারাবাহিকে অনেক সময় গাঁজাখুরি গল্পের আশ্রয় নিয়ে ফেলেন নির্মাতারা। জি বাংলার (Zee Bangla) এই প্রথম সারির ধারাবাহিকের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ উঠলো।

ধারাবাহিকের গল্প অনুসারে সাত্যকি এখন জেলবন্দি। ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পড়ে শ্লীলতাহানীর দায়ে জড়িয়েছে সাত্যকি। প্রথমে এই পরিস্থিতিতে উর্মি বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। তবে সাত্যকির উপর বিশ্বাস হারায়নি সে। তাই সে আদালতে উপস্থিত হয় এবং সেখানে বিচারকের সামনে স্বীকার করে এই কঠিন পরিস্থিতিতে সে তার স্বামীর পাশেই আছে। এরপরই চ্যানেলের তরফ থেকে প্রকাশ করা হয় ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো। সেখানে দেখা যাচ্ছে উর্মি এবার সাত্যকির উকিল হিসেবে তার হয়ে সওয়াল-জবাব করবে কোর্টে।

 Here is How Urmi Became a Lawyear on Ei Poth Jodi Na Sesh Hoye

সেইমতো উকিলের পোশাক পরে সে হাজির হয়েছে কোর্টে। এই দৃশ্য দেখে উর্মিকে নিয়ে ট্রোল করতে শুরু করেছেন নেটিজেনরা। কারণ উর্মি যে এবার উকিল হিসেবে সাত্যকির হয়ে মামলা লড়বে, এমনটা আশা করেননি কেউ। ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো দেখে দর্শক তো হেসেই খুন। তারা অবাক হচ্ছেন এই ভেবে যে উর্মি আবার কবে ওকালতি পড়লো! উর্মি যে ওকালতি পড়েছে এটা আগে জানা যায়নি। তাই দর্শকের মনে প্রশ্ন ওঠে, “বাপরে হঠাৎ করে উকিল কি করে হয়ে গেল… ট্যাক্সি ড্রাইভিং শিখেছিল তো.. ওকালতি তো পড়েনি”। দেখে শুনে থ বনে যাচ্ছেন নেটিজেনরা।

তবে উর্মিকে নিয়ে ট্রোলিং শুরু হওয়াতে অনেকেই আবার উর্মি পাশেই দাঁড়িয়েছেন। ভারতীয় সংবিধানের এক ধারার কথা উল্লেখ করে জবাব দিয়েছেন অ্যাডভোকেটস অ্যাক্ট অফ ইন্ডিয়া : সেকশন ৩২ অনুযায়ী যে কোনও ব্যক্তি তার প্রিয়জনের হয়ে কেস লড়তে পারে। তিনি আইনজীবী না হওয়া সত্ত্বেও আদালত তাকে অনুমতি দিতে পারে। কাজেই উর্মি যদি ওকালতি না পড়েও সাত্যকির হয়ে কোর্ট লড়ে, তাতে আইনগত কোনও বাধা নেই বলে দাবি করছেন নেটিজেনদের একাংশ।