খড়কুটোয় নতুন মোড়, কিডন্যাপ হলো গুনগুন

কিছুতেই শ্বশুরবাড়ি ফিরে আসবেনা গুনগুন (Gungun)। ধনুকভাঙ্গা পণ নিয়ে নিয়েছে সে। এদিকে গুনগুন চলে যাওয়াতে মুখার্জি পরিবারের রাতের ঘুম উড়েছে। সকলের মুখ চুন। বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা বলছেন জ্যাঠাই। পটকাও বদলি নিয়ে অন্যত্র চলে যাবে বলছে। মোটকথা গুনগুনকে হারিয়ে সকলের মন বেজায় খারাপ। খড়কুটো পরিবারের চিরাচরিত সেই হাসি, মজা, ঠাট্টার পরিবেশ গুনগুন বাড়ি ছাড়া সঙ্গে সঙ্গেই উধাও হয়েছে। সকলের মনে কাজ করছে আত্মগ্লানি।

খড়কুটো (Khorkuto) পরিবারের অন্দরমহলে বিগত বেশ কয়েকদিন ধরেই কালো মেঘের ছায়া বিরাজ করছে। পুচুসোনাকে নিয়ে গুনগুনের বাড়াবাড়িতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন বাড়ির সকল সদস্য। একমাত্র পটকা ছাড়া বাড়ির সকলেই গুনগুনকে তিরস্কার করেছে। এমনকি সৌজন্যও সকলের সামনে গুনগুনকে কড়া ভাষায় তিরস্কার করেছে। গুনগুনের মানসিক পরিস্থিতি কেউই বুঝতে চাননি। সে যে বাড়ির খুদে সদস্যের ভালো চায়, তাকে ভালো রাখার জন্যই সবকিছু করছে, সেটা এক প্রকার অগ্রাহ্য করেছে সকলে।

বাড়িতে দিনরাত অপমানিত হয়ে শেষমেষ বাড়ি ছেড়েই চলে যায় গুনগুন। যাওয়ার আগে জানিয়ে যায়, এরপর সে আর ফিরে আসবেনা। মুখার্জি বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়ে সে তার নাম থেকেও মুখার্জি পদবী সরিয়ে দেয়। গুনগুন এখন শুধুই স্রোতস্বিনী বসু। এই নামেই এখন তার পরিচয়। গুনগুন যখন ধীরে ধীরে মুখার্জি পরিবারের সঙ্গে সমস্ত সংশ্রব ছিন্ন করছে ঠিক তখনই এই পরিস্থিতির হাল ধরার জন্য মাঠে নামলো পটকা। গুনগুনকে বাড়ি ফেরানোর জন্য মজাদার আইডিয়া বেরিয়েছে পটকার মাথা থেকে।

খড়কুটো পরিবারের সদস্যরা এখন যেনতেন প্রকারেণ গুনগুনকে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে মরিয়া। অনুরোধ-উপরোধে ফেরানো যাবেনা গুনগুনকে। তাই শেষমেষ বাঁকা রাস্তা ধরলো পটকা, ঋজু রুপাঞ্জনরা। গুনগুনকে এবার কিডন্যাপ করা হবে। উল্লেখ্য, পটকাদের এই ষড়যন্ত্রে সামিল খোদ সৌজন্য। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে খড়কুটোর নতুন প্রোমো। সেখানে দেখা যাচ্ছে রাতের অন্ধকারে কিডন্যাপার সেজে গুনগুনকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে সৌজন্য!

গুনগুনকে কিডন্যাপ করার জন্য সৌজন্য, পটকা, ঋজু আর রুপাঞ্জন অন্ধকার রাস্তায় ওঁত পেতে ছিল। সেই রাস্তা দিয়েই আসছিল গুনগুনের গাড়ি। আচমকা মাঝপথেই থেমে যায় সেই গাড়ি। কি হয়েছে দেখার জন্য গাড়ি থেকে নেমে আসে গুনগুন। এদিকে পটকার ঠেলা খেয়ে বাবিন এসে গুনগুনের মুখে কালো কাপড় চেপে ধরে। ব্যাস, তারপর তার গাড়িতে করেই তাকে কিডন্যাপ করে নিয়ে যায় রুপাঞ্জন আর সৌজন্য।

সকলের মুখ ছিল মাস্কের আড়ালে ঢাকা। তাই এক নজরে কারোকেই চেনার জো নেই। গুনগুন কিডন্যাপ হওয়ার পর আনন্দে হাত মেলায় ঋজু এবং পটকা। যাক, এবার অন্তত জ্যাঠাই আর বড়মার বাড়ি থেকে চলে যাওয়াটা ক্যান্সেল হবে। আবার ঘরের বউ ঘরে ফিরবে।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Star Jalsha (@starjalsha)

পটকার এই আইডিয়া ঠিক কতটা কার্যকর হবে? কিডন্যাপ করার পর গুনগুন যখন সবটা জানতে পারবে তখন পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে? সর্বোপরি মেয়েকে কিডন্যাপ করার খবরে গুনগুনের বাবা ডঃ কৌশিক সেনের প্রতিক্রিয়া কি হবে? সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে খড়কুটোর নতুন এপিসোডে।