ভারতীয় সেনার বড় সাফল্য, খতম মাস্টারমাইন্ড রসিদ গাজী

বড়সড় সাফল্য পেল সেনাবাহিনী। পুলওয়ামায় রাতভর অভিযানে ২ জইশ কমান্ডারকে খতম করল সেনা। এদের সঙ্গে বৃহস্পতিবারের হামলার যোগ রয়েছে। ৪০ জওয়ানের মৃত্যু বৃথা যাবে না৷ শপথ নিয়েছিল ভারতীয় সেনা৷ পুলওয়ামার হামলার চক্রীদের খতম করে সেই শপথ পূরণ করল ভারতীয় সেনা৷

কাশ্মীরের পুলওয়ামার পিঙ্গলানে রবিবার রাত থেকেই সেনা জঙ্গি গুলির লড়াই চলছিল৷ তারই মধ্যে জঙ্গিদের ছোঁড়া গুলিতে শহিদ চার ভারতীয় সেনা৷ শহিদের তালিকায় রয়েছেন এক মেজর-ও৷ এছাড়া গুলি লেগে নিহত হন এক স্থানীয় বাসিন্দাও৷

নিহত ২ জঙ্গিদের মধ্য আত্মঘাতী বিস্ফোরণের অন্যতম চক্রী রশিদ গাজি ও ওই হামলার মূল চক্রী কামরান। এই রশিদ গাজিই আত্মঘাতী বোমারু আদিল আহমেদ দারকে বিস্ফোরণের প্রশিক্ষণ দিয়েছিল।

পুলওয়ামার পিংলা গ্রামে সেনা-জঙ্গি লড়াইয়ে খতম আরও এক শীর্ষ জৈশ জঙ্গি৷ নাম রশিদ গাজী৷ পুলওয়ামা হামলার পর থেকে যাকে খুঁজে বেরাচ্ছিল সেনা৷ সোমবার এনকাউন্টারে তাকেও খতম করেছে জওয়ানরা৷ বিভিন্নি জাতীয় সংবাদমাধ্যমে এমনই প্রকাশ পেয়েছে৷ যদিও সেনার তরফে এই খবরের নিশ্চয়তা মেলেনি৷ এর আগেই খবর মেলে সেনার অভিযানে নিহত হয়েছে পুলওয়ামার মাস্টারমাইন্ড কামরান৷ এখনও সেখানে চলছে গুলির লড়াই৷

খবর আসে পিংলানা গ্রামে লুকিয়ে রয়েছে ২-৩ জঙ্গি। ওই খবর পেয়ে রাতেই গ্রাম ঘিরে ফেলে সেনা, সিআরপিএফ ও কাশ্মীর পুলিস। পালাবার পথ না পেয়ে তারা গুলি চালালে ভোররাতে শহিহ হন এক মেজর সহ চার জওয়ান। এরপরই ওই বাড়িটি উড়িয়ে দেয় সেনা।

নিরাপত্তা বাহিনীর একাংশের দাবি, কামরান ও আবদুল রসিদ গাজী একই ব্যক্তি৷ বিভিন্ন সময়ে হামলার জন্য তারা ছদ্মনাম ব্যবহার করত৷ আফগানিস্তানের বাসিন্দা আবদুল রসিদ গাজী জৈশ সংগঠনে যোগ দেয়৷ আত্মঘাতী বোমারু হামলার প্রশিক্ষণ দিত সে৷