ক্রিকেট ছেড়ে রাজনীতিতে কেন? জানিয়ে দিলেন গৌতম গম্ভীর

488

বেশ কিছুদিন ধরেই রাজধানীতে গম্ভীরকে নিয়ে চর্চা চলছিল। প্রাক্তন ওপেনার নয়াদিল্লি কেন্দ্রে প্রার্থী হতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে ফিসফাস শোনা যাচ্ছিল। নয়াদিল্লি কেন্দ্রের বর্তমান সাংসদ হলেন মীনাক্ষী লেখি। কিন্তু গম্ভীরের বাড়ি দিল্লির রাজেন্দ্র নগরে। যা আবার এই কেন্দ্রের মধ্যেই পড়ে। নির্বাচনী লড়াইয়ে যা তাঁর পক্ষে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে পঞ্জাবের অমৃতসর কেন্দ্রে অরুণ জেটলির হয়ে প্রচারে নেমেছিলেন গৌতম গম্ভীর। যদিও সেই প্রচারের ফলাফল ইতিবাচক হয়নি। কংগ্রেসের অমরিন্দর সিংহের কাছে হারতে হয়েছিল জেটলিকে। তখন থেকেই জল্পনা শুরু হয় যে, বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন গম্ভীর। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কবে হবে তা নিয়ে অবশ্য গত পাঁচ বছর ধরে চর্চা চলেছে। এ বার লোকসভা ভোটের আগে ফের সেই জল্পনা জোরদার হয়েছিল।

ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন কিছুদিন আগেই। তার পর পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। বাইশ গজকে বিদায় জানিয়েই কেন রাজনীতিতে আসার তোরজোড়! উত্তর দিয়ে গেলেন গম্ভীর। ভারতীয় দলের প্রাক্তন ওপেনার বললেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রভাবশালী নেতৃত্ব আমার অনুপ্রেরণা। আর সেই অনুপ্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয়েই বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কথা ভেবেছি। অরুণ জেটলি স্যর, রবিশংকর স্যরকে অনেক ধন্যবাদ আমাকে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। আমি সব সময়ই দেশের সেবা করতে চেয়েছি। আশা করছি, দেশের জন্য কাজে নিজেকে উত্সর্গ করতে পারব।

সূত্রের দাবি, সম্ভবত লোকসভা ভোটে গৌতম গম্ভীরকে দিল্লির কোনও কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করতে পারে বিজেপি। যদিও গোটা বিষয়টি নিয়ে মুখে আপাতত কুলুপ এঁটেছিলেন ক্রিকেটার। এর আগেও তাঁকে আপ সরকারের বিরোধিতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জবাবে জানান, কেবলমাত্র দিল্লির নাগরিক হিসাবেই তাঁর অধিকার রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করার। তবে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে তিনি কিছুই জানাতে চাননি।

এর আগে ক্রিকেট থেকে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার নজির অনেকের রয়েছে। প্রাক্তন ক্রিকেটার কীর্তি আজাদ, মহম্মদ আজহারউদ্দিন, নভজ্যোত সিং সিধু, মহম্মদ কাইফ, প্রবীণ কুমার, বিনোদ কাম্বলি ও মনসুর আলি খান পতৌদি ক্রিকেট ছেড়ে রাজনীতিতে যোগ দিয়েছেন।

Loading...