১ মাসে কমে যাবে ৫ কেজি ওজন, মেনে চলুন এই ডায়েট

ওজন কমানোর সঠিক নিয়ম, মেদ কমানোর উপায়, ওজন কমানোর উপায়, ওজন কমানোর ডায়েট চার্ট, ওজন কমানোর খাবার, ওজন কমানোর খাদ্য তালিকা, ওজন কমানোর রুটিন, মেদ কমানোর উপায়, ভুরি কমানোর উপায়, ভুরি কমানোর সহজ উপায়, ভুরি কমানোর খাবার, চর্বি কমানোর উপায়, চর্বি কমানোর খাবার

এক মাসে ৫ কেজি ওজন কমাতে চান, তাও আবার কোনও পরিশ্রম না করেই? তা হলেমেনে চলুন এই ডায়েট, ওজন তো কমবেই, সঙ্গে বাড়বে ফিটনেস। ১ মাসে ওজন কমাতে চান? জানতে চান ওজন কমানোর সঠিক নিয়ম? বা ওজন কমানোর ডায়েট চার্ট? জানতে চান ওজন কমানোর খাবার কোনগুলো? তাহলে দেখে নিন ওজন কমানোর খাদ্য তালিকাওজন কমানোর রুটিন

তবে, এই ডায়েট করলে ভুলভাল খাওয়ার অভ্যাস বন্ধ করতে হবে। চিকেন–মাটন দেখে জিভে জল এলেও আপনাকে খেতে হবে স্যালাড ও ফ্যাট ছাড়া খাবার৷ এই প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ পড়লে আপনি জানতে পারবেন মেদ কমানোর উপায় বা ভুরি কমানোর উপায়, ভুরি কমানোর খাবার, চর্বি কমানোর উপায়, চর্বি কমানোর খাবার কোনগুলো

ওজন কমানোর রুটিন

পেট ভরে খান তবে একটু রুটিন মেনে খাওয়া-দাওয়া করুন। ডিম খেতে ভালবাসলে ডিম খান তবে সেটা সিদ্ধ ডিম আর কুসুমটা খাওয়া ছাড়তে হবে। মাংস যাদের খুব পছন্দ তারা চর্বি ছাড়া মাংস কম তেলে রান্না করে সপ্তাহে একদিন খেতেই পারেন।

Benefits of Eating Rice

ওজন কমানোর খাবার কোনগুলো

মিষ্টি খাওয়াটা বাদ দিতে হবে। রোজ একটা করে ফল খান। মিষ্টি জাতীয় পানীয় খাওয়া ও বাদ দিতে হবে। যারা ভাত খেতে পছন্দ করেন, তারা ভাত খান তবে পরিমাণটা কমিয়ে নিন। ভাতের সেই পরিমাণে জায়গায় শাকসবজি খাওয়া ধরুন।

সবজির খোসা ফেলবেন না

সবজি খোসা সুদ্ধ খাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে ফাইবার ও যেমন বেশি থাকে তেমন আবার পুষ্টি ও বেশি থাকে। ভারী খাবার খাওয়ার আগে যদি এক প্লেট স্যালাড খেয়ে নেন তাহলে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকবে। মাছ মাংস ডিম আগের তুলনায় একটু কম খেয়ে তার জায়গায় ছোলা মটর ডাল সোয়াবিন ইত্যাদি খেতে শুরু করুন। এগুলি পুষ্টিকর যেমন তেমনি ক্যালরি ও কম।

ময়দার খাবার একেবারেই খাবেন না। তবে খুব ইচ্ছে হলে ছয় মাসে একবার খেতে পারেন। তেল ঘি মাখন দেওয়া খাবার একটু কম খেতে চেষ্টা করুন। এর পরিবর্তে বিভিন্ন ধরনের সবজি মেশানো ডাল খেতে পারেন।

ওজন কমানোর খাদ্য তালিকা

তৈলাক্ত মাছ ,অলিভ অয়েল , বাদাম, বীজ এগুলি অল্প অল্প করে খান। এগুলিতে ক্যালারি থাকলেও পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে। বাজার থেকে কিনে আনা খাবার এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। এতে ওজন কমে তো না উল্টে বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা তৈরি হয়।

একটু হাঁটাহাঁটি

এই সমস্ত কিছু মেনে চলার  পাশাপাশি একটু হাঁটাহাঁটি করার চেষ্টা করুন। মাঝে মধ্যে ঘরের টুকটাক কাজ করবার চেষ্টা করুন। এতে ওজন কমার কাজটি ত্বরান্বিত হবে। রাত্রে ঘুমানোর  তিন ঘণ্টা আগে খাবারটি খেয়ে নিন। আর অবশ্যই রাত্রে এগারোটার মধ্যে ঘুমিয়ে পরবেন।

খাবারের পরিমাণ

একবারে বেশি পরিমাণে না খেয়ে বারবারই অল্প করে খেতে চেষ্টা করুন। আর যখনই ভাত জাতীয় কিছু খাবেন তার আগে এক গ্লাস জল খেয়ে নিন। এতে আপনার খাবার ইচ্ছাটাও কমে যাবে। আর ওজন বাড়ার ভয় থাকবে না।

ওজন কমানোর ডায়েট চার্ট

সকালের প্রাতরাশ  খাওয়াটা ভুলেও বাদ দেবেন না। সকালে হালকা কিছু খাবার। এরপর দুপুরে ডাল সাল্যাড  দিয়ে অল্প পরিমাণ ভাত বা দুটো রুটি এর সাথে মাছ অথবা চিকেন অথবা  ডিম অথবা দ‌ই  খেতে পারেন।

আরও পড়ুন : আপনার শরীরের উচ্চতা অনুযায়ী ওজন ঠিক আছে কিনা দেখে নিন

খেজুর খাওয়ার চেষ্টা করবেন প্রতিদিন অল্প করে।বিকেলের দিকে অল্প একটু মুড়ি বাদাম বা হালকা কিছু খাবার খাবেন।রাতে আবার হালকা করে কিছু খাবার খেয়ে একটু হাঁটাহাঁটি করে তারপর ঘুমাতে যাবেন। রাতে খেয়ে খেয়েই  যেন ঘুমোতে চলে যাবেন না। এতে ওজন বেড়ে যায়।

আরও পড়ুন : ভাত খেলে কী ওজন বাড়ে? চিকিত্‍সকরা কী বলছেন

ডায়েট মেন্টেন করতে গিয়ে খাদ্য তালিকা থেকে প্রোটিন ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট একবারে বাদ দিলে কিন্তু হিতে বিপরীত হবে। তাই ডায়েট মেনে চলার  পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় প্রোটিন ফ্যাট কার্বোহাইড্রেট এর মত পুষ্টিকর উপাদান গুলি ও রাখবেন।