১৪ লেনের দিল্লি-মীরাট এক্সপ্রেসওয়ের ৮ অজানা তথ্য

দিল্লি-মীরাট এক্সপ্রেসওয়ের একাধিক লেন আছে। মোট ১৪ টি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন করেন। এনডিটিভি-তে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী দিল্লি-মীরাট এক্সপ্রেসওয়ে তৈরিতে মোট খরচ হয়েছে ৭, ৫০০ টাকা। এই এক্সপ্রেসওয়ে ধরলে দিল্লি থেকে মীরাট যাওয়ার সময় কমে যাবে। দিল্লি-মীরাট এক্সপ্রেসওয়ে সম্পর্কে ৮ টি বিস্ময়কর তথ্যের তালিকা করলাম আমরা।

১) দিল্লি-মিরাট এক্সপ্রেসওয়েতেই প্রথম তৈরি করা হয়েছে সাইকেল চালানোর জন্য আলাদা রাস্তা। এক্সপ্রেসওয়ের দুদিকেই ২.৫ মিটার চওড়া সাইকেল ট্র্যাক আছে।

২) দিল্লি-মীরাট এক্সপ্রেসওয়ে বানানোর লক্ষ্য দিল্লি থেকে মীরাট এবং উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের মধ্যে দ্রুত এবং নিরাপদ সংযোগ স্থাপন।

৩) এক্সপ্রেসওয়েটি ৮২ কিলোমিটার লম্বা। হাইওয়ের প্রথম ২৭.৭৪ কিমি ১৪ লেন এবং বাকি রাস্তা ৬ লেনের। দিল্লি-মীরাট এক্সপ্রেসওয়েতে ১১ টি ফ্লাইওভার, ৫ টি বড় এবং ২৪ টি ছোট সেতু, ৩ টি রেল ওভার ব্রিজ এবং ১৪ টি আন্ডারপাস আছে।

৪) দূষণ হ্রাস করার লক্ষ্যে এক্সপ্রেসওয়েতে তৈরি করা হয়েছে লম্বা বাগান। জল দেওয়ার জন্য রাখা হয়েছে সেচ ব্যবস্থা। এক্সপ্রেসওয়েতে প্রথম বাগান করা হয়েছিল যমুনা ব্রিজের ওপর।

৫) দেশের প্রথম স্মার্ট হাইওয়ে দিল্লি-মীরাট এক্সপ্রেসওয়ে। জ্বালানী এবং দূষণ হ্রাসের লক্ষ্যে সৌর বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল।

৬) আনুমানিক ৩০ মাসের মধ্যে প্রকল্প নির্মান কাজ শেষ হবে ধরা হয়েছিল। কিন্তু নির্মান কাজ শেষ হয়ে যায় ১৮ মাসে, প্রায় এক বছর আগেই।

৭) দিল্লি থেকে মীরাট যেতে সময় লাগত প্রায় আড়াই ঘণ্টা। এই এক্সপ্রেসওয়ে হওয়ায় এখন সময় লাগছে মাত্র ৪০ মিনিট।

৮) দিল্লি-মীরাট এক্সপ্রেসওয়ে ‘স্মার্ট’ হাইওয়ে। আছে উচ্চ প্রযুক্তির ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট ব্যবস্থা। রাখা হয়েছে ভিডিও অডিও সনাক্তকরণ সিস্টেম।
এছাড়াও শিল্পীরা আন্ডারপাসের দেওয়ালে এঁকেছেন ছবি। যাতে এক্সপ্রেসওয়ের নান্দনিক আবেদন বেড়েছে বহুগুণ।