জংশন, টার্মিনাস এবং সেন্ট্রাল স্টেশনের মধ্যে পার্থক্য কী? 

সরকারি রেলওয়ে কোম্পানি ভারত সরকারের রেল মন্ত্রকের একটি বিভাগীয় সংস্থা। বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম রেল ট্র্যাক ভারতের।  ৯২০৮১ কিলোমিটার গতির ট্র্যাকে ৬৬৬৮৭ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে।ভারতের রেলপথের মোট দৈর্ঘ্য ৬৩,৩২৭ কিলোমিটারেরও বেশি। প্রতিদিন ১ কোটি ৮০ লক্ষেরও বেশি যাত্রী এবং ২০ লক্ষ টনেরও বেশি পণ্য ভারতীয় রেলপথে চলাচল করে।
দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মোট ৭২১৬ স্টেশন আছে। এই স্টেশন প্রধানত চার ভাগে বিভক্ত। কোনওটাকে বলা হয় জংশন, কোনওটা টার্মিনাস এবং কোনওটাকে বলা হয় সেন্ট্রাল রেল স্টেশন এবং সাধারণ স্টেশন। এদের মধ্যে কিছু মৌলিক পার্থক্য আছে। জংশন, টার্মিনাস এবং সেন্ট্রাল স্টেশনের মধ্যে পার্থক্য কী?

টার্মিনাস

কোনও কোনও স্টেশনে আপনি ট্যার্মিনাস লেখা দেখতে পারবেন। অর্থাত যখন কোনও ট্রেন একই দিক দিয়ে প্রবেশ করে এবং একই দিক দিয়ে স্টেশন ছাড়ে। অন্য কথায়, ট্র্যাকটি অন্য দিক দিয়ে শেষ হয়। টার্মিনস এর কিছু উদাহরণ হল – ছত্রপতি শিবাজি টার্মিনাস, লোকমান্য তিলক টার্মিনাস।

জংশন

যদি কোনও স্টেশনে আসা-যাওয়ার জন্য তিনটি ভিন্ন ধরনের রুট থাকে তাহলে সেটাকে জংশন বলা হয়। সহজ ভাষায় বলতে গেলে স্টেশনে ট্রেন প্রবেশ করার সময় দুটি ভিন্ন রুট থাকতে হবে। জংশনের কিছু উদাহরণ হল – মথুরা জংশন (৭ টি রুট), সালাম জংশন (৬ রুট), বিজয়ওয়াড জংশন (৫ টি রুট), বরেলির জংশন (৫ টি রুট)।

আরো পড়ুন : ভারতের সর্বোচ্চ গতির ১০ ট্রেন

সেন্ট্রাল

সেন্ট্রাল স্টেশন হলো শহরে একটি ব্যস্ততম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন, যার রয়েছে একাধিক স্টেশন। এখানে ট্রেনের আগমনের এবং প্রস্হানের সংখ্যা অনেক। এটা প্রাচীনতম স্টেশন হতে পারে। তবে এটা জরুরী নয় যে, যেই শহরে একাধিক স্টেশন রয়েছে সেখানে সেন্ট্রাল থাকতে হবে। ভারতে ৫ সেন্ট্রাল স্টেশন আছে। মুম্বাই সেন্ট্রাল (বিটিসি), চেন্নাই সেন্ট্রাল (এমএএস), ত্রিভান্দাম সেন্ট্রাল (টিভিসি), মঙ্গলুর সেন্ট্রাল (এমকিউ) এবং কানপুর সেন্ট্রাল (সিএনবি)।
চেন্নাই সেন্ট্রালকে টার্মিনাস বলা যেতে পারে। কিন্তু এটি ভারতের প্রাচীনতম স্টেশন হওয়া এটাকে সেন্ট্রাল বলা হয়।

আরো পড়ুন : পেশায় কুলি, রেলের ফ্রী ওয়াইফাই ব্যবহার করে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় সফল

স্টেশন

সাধারণ স্টেশনে ট্রেন আসে যাত্রী এবং মালপত্রের জন্য।