ডিম আমিষ না নিরামিষ, অবশেষে গবেষণায় জানা গেল উত্তর

ডিম আমিষ নাকি নিরামিষ, যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে দিলেন বিজ্ঞানীরা

ডিম আগে না মুরগি? এই প্রশ্নের থেকেও বড় প্রশ্ন যা মানুষকে ভাবায় তা হল ডিম (Egg) আমিষ নাকি নিরামিষ? সাধারণত আমিষ-নিরামিষের ভাগাভাগিতে ডিমকে আমিষের পর্যায়েই ফেলে থাকেন বেশিরভাগ মানুষ। ডিম যেহেতু মুরগির শরীরে তৈরি তাই ডিম খাওয়া থেকে বিরত থাকেন নিরামিষভোজীরা। সত্যিই কি ডিম আমিষ (Egg Veg Or Non Veg)? হলেও তা কীভাবে?

এই প্রশ্নের জবাব খুঁজেছিলেন বিজ্ঞানীরাও। আসলে ডিম খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুব কমই আছেন পৃথিবীতে। অনেক নিরামিষভোজীরাও ডিম খেয়ে নিজেদের বলেন ‘এগিটেরিয়ান’। শুনে হয়তো অবাক হতে পারেন আপনি। ডিমের পুষ্টিগত গুণাগুণের গুণগান আর নাই বা করলাম! প্রোটিন আর ভিটামিনে ঠাসা এই খাবার সহজপাচ্য, তাই থাকে রোগীদের পাতে। খেতেও সুস্বাদু, ৮ থেকে ৮০ সকলেরই প্রিয়।

আবার বাজেটেও সস্তা, তাই মধ্যবিত্তদের ভীষণ প্রিয়! এহেন ডিম দেখলে নিরামিষভোজীরা নাক সিঁটকে উঠে খাবার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেন। তবে এটা করে থাকলে এতদিন কিন্তু ভুল করে এসেছেন আপনি। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন আমিষ-নিরামিষ কোন গোত্রের মধ্যে ফেলা যায় ডিমকে?

বিজ্ঞানীদের সাফ কথা, ডিমের তিনটি অংশ। ডিমের খোসা, কুসুম এবং সাদা অংশ। খোসা বাদে সাদা অংশ অ্যালবুমিন প্রোটিন দিয়ে তৈরি। আর কুসুমে রয়েছে প্রোটিন, ফ্যাট ও কোলেস্টেরল। আমরা সাধারণত যে ডিম খাই তাতে ভ্রূণ থাকে না। একটি মুরগি ছ মাস বয়সের পর থেকে প্রতি দেড় দিন অন্তর ডিম পাড়ে। ডিম পাড়ার আগে যৌন মিলনের প্রয়োজন হয় না। তাই এই সমস্ত ডিম যে আমরা বাজার থেকে কিনে খাই তা নিষিক্ত নয়।

তাই তো বিজ্ঞানীরা বলছেন ডিম ভীষণভাবে নিরামিষ। কারণ তাদের কোনওমতেই প্রাণ থাকে না। ডিমকে কোনভাবেই পাখি কিংবা পশুর পর্যায় ফেলা যাবে না। তাহলে কী ভাবছেন? নিরামিষভোজী হলে কিংবা নিরামিষ দিনেও এবার থেকে নিশ্চিন্তে যতখুশি খান ডিম।