পরের বছর কবে আসবে মা দুর্গা, রইল ২০২৩ এর পুজোর দিনক্ষণ ও নির্ঘন্ট

পরের বছর দূর্গাপুজো কবে, জেনে নিন ২০২৩ এর পুজোর দিনক্ষণ ও নির্ঘন্ট

দেখতে কেটে গেল বাঙালির সব থেকে বড় উৎসব। দশমীতে উমাকে বিদায় জানানোর সঙ্গে সঙ্গেই বাঙালির মন এখন ভার। আবার গোটা একটি বছরের অপেক্ষা, তবেই আবার কৈলাস থেকে দেবীর মর্তে আগমন হবে। তাই বাঙালির নজর এখন পরের বছরের দূর্গাপুজোর নির্ঘণ্টের (Durgapuja Calendar 2023) দিকে। ২০২৩ এর দূর্গাপুজো, লক্ষ্মী পুজো এবং কালীপুজোর নির্ঘন্ট থেকে জেনে নিন আগামী বছর পুজো কবে এবং কোন কোন দিন ছুটি পাবেন।

এই বছরের মহালয়া ছিল রবিবার। সেপ্টেম্বর মাসের ২৫ তারিখ মহালয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দেবী পক্ষের সূচনা হয়। অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই পুজো শেষ। তবে পরের বছর পূজো কিন্তু বেশ দেরিতেই শুরু হবে। অক্টোবর মাসের শেষের দিকে মায়ের আগমন হবে। পরের বছরের মহালয়া অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি, শনিবারে পড়েছে।

পরের বছরের ১৪ ই অক্টোবর মহালয়ার দিন পড়েছে। ১৯ শে অক্টোবর বৃহস্পতিবার পঞ্চমী তিথি। দেবীর বোধন অর্থাৎ ষষ্ঠী ২০শে অক্টোবর, শুক্রবার। শনিবার এবং রবিবার অর্থাৎ ২১ শে অক্টোবর এবং ২২ শে অক্টোবর যথাক্রমে সপ্তমী এবং অষ্টমী তিথি পড়েছে। ২৩ শে অক্টোবর সোমবার নবমী এবং ২৪ শে অক্টোবর মঙ্গলবার দশমী তিথি।

এই নির্ঘণ্ট থেকে বেশ পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে যে পরের বছর দূর্গাপুজোর এই দিনক্ষণের জন্য বেশ কিছু ছুটি নষ্ট হবে। এই বছর পুজোতে বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতেই ঠাকুর দেখতে হয়েছে। অবশ্য বিগত কয়েক বছর ধরেই আশ্বিন মাসে বৃষ্টির জন্য বাঙালির পূজোর আনন্দ অল্প বিস্তর মাটি হচ্ছেই। পরের বছরে যেহেতু পুজো দেরিতে শুরু হচ্ছে তাই আশা করা যায় যে হয়তো বা ২০২৩ এর পুজোতে বৃষ্টি নাও হতে পারে।

দুর্গা পুজো শেষ হওয়া মানেই উৎসব শেষ তা নয়, বরং এখন থেকেই শুরু হয়ে যাবে আরও বেশ কিছু উৎসবের প্রস্তুতি। আর মাত্র কয়েকদিন পরই বাঙালির ঘরে ঘরে লক্ষ্মী দেবীর আগমন হবে। সামনে রবিবার ৯ই অক্টোবর লক্ষ্মী পুজো। এবার জেনে নিন পরের বছরের লক্ষ্মী পুজোর দিনক্ষণ। পরের বছর ২৮ শে অক্টোবর কোজাগরী লক্ষ্মী পূর্ণিমার তিথি রয়েছে। আর বার করেছে শনিবার।

পরের বছর কালীপুজো পড়ে গিয়েছে নভেম্বর মাসে। ১২ ই নভেম্বর কালীপুজোর দিন পড়েছে, আর বার পড়েছে রবিবার। ভাই ফোঁটার অনুষ্ঠান হবে মঙ্গলবার। এই বছর ষষ্ঠীর কারণে ২ রা অক্টোবর গান্ধী জন্ম জয়ন্তীর ছুটিটা মার খেয়েছে। তবে পরের বছর তা হবে না। ২০২২ সালে বৃষ্টিতে ভিজে আর ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পূজোর আনন্দটাই প্রায় মাটি হয়েছে। তবে আশা করা যায় পরের বছর পুজো আসতে আসতে শীতের আমেজ চলে আসবে।