শুধু পর্দায় নয় বাস্তবেও অসাধারণ গান গায় লালন! ইন্দ্রাশিষের গান শুনে মন্ত্রমুগ্ধ শ্রোতারা

সত্যিই রকস্টার লালন! পর্দার বাইরে বাস্তবেও অসাধারণ গান গাইতে পারে ইন্দ্রাশিষ

Dhulokona lalon aka Indrashis Roy shared a video on his singing in real life amazed netizen

পর্দাতে তো দুর্দান্ত র্যাপ গান গেয়ে সকলকে আশ্চর্য করে দিয়েছে লালন। তবে বাস্তবেও সে যে দুর্দান্ত গান গাইতে পারে সে কথা কজনই বা জানতেন? ইদানিং লালন তার চরিত্রের জন্য যথেষ্ট সমালোচিত হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। বারবার বিয়ে, বউ থাকতেও প্রেমিকার সঙ্গে থাকার জন্য জোরাজুরি, এসব দেখে লালনকে ইদানিং বেশ ট্রোল করেন দর্শকরা। তবে স্টার জলসার (Star Jalsha) ধূলোকণা (Dhulokona) ধারাবাহিকের লালন ওরফে ইন্দ্রাশিষের (Indrashis Roy) খালি গলায় গান শুনে রীতিমত মুগ্ধ হলেন তারা।

ধুলোকণা ধারাবাহিকের নায়ক ইন্দ্রশীষ রায় এর আগেও একাধিক ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন। তাছাড়া ছবিতেও অভিনয় করেছিলেন তিনি। ধুলোকণার নায়ক হিসেবেও দর্শকদের থেকে তিনি দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। তবে এখন তার চরিত্রের কারণে তিনি দর্শকদের নজরে ভিলেন। কিন্তু তার গলায় দুর্দান্ত গান শুনে এক মুহূর্তের জন্য লালনের বিরুদ্ধে ‌সমস্ত অভিযোগ ভুলেই গেলেন নেটিজেনরা।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে তিনি একটি ভিডিও শেয়ার করেছিলেন। সেখানে তাকে একান্তে জানলার ধারে বসে ‘ও যে মানে না মানা’ গানটি গাইতে শোনা গেল। কোনরকম মিউজিক ছাড়া সম্পূর্ণ খালি গলায় গানটি গেয়ে শুনিয়েছেন ইন্দ্রাশিষ। শুনে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছেন নেটিজেনরা। পর্দার লালন বাস্তবে যে এত সুন্দর গান গাইতে পারে এ কথা অনেকেরই জানা ছিল না।

ধুলোকণার ধারাবাহিকে লালন সাধারণ এক বস্তির ছেলে। একসময় ড্রাইভারি করে সংসার চলেছে তার। কিন্তু তার স্বপ্ন ছিল বড় গায়ক হওয়ার। পাড়ার ফাংশনে গান গাইতে গাইতে একসময় বড় মঞ্চে গান গাওয়ার সুযোগ চলে আসে তার হাতে। সেই মঞ্চ থেকেই শুরু হয় লালনের নতুন যাত্রা। এরপর অনেক ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে লালন-ফুলঝুরির গল্প।

যদিও এখন অবশ্য গান-টান ভুলে লালন-ফুলঝুরি তাদের ব্যক্তিগত জীবনের সমস্যা নিয়ে ব্যস্ত। কারণ তাদের মধ্যে এখন চড়ুইয়ের বদলে এসে পড়েছে নতুন একজন, সে হল লালনের ডাক্তারবাবুর মেয়ে তিতির। ফুলঝুরিকে ভুলে এখন তিতিরের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে লালন। তিতিরের জন্য ফুলঝুরিকে ডিভোর্স দিতেও রাজি লালন।

যদিও লালনের এই আচরণ স্বাভাবিক নয়। সে নাকি এখনও মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। লালন আসলে এখনও পুরোপুরি মানসিকভাবে সুস্থ হয়ে উঠতে পারেনি। কিন্তু ফুলঝুরি তাকে ভুল বুঝছে। লালনকে তিতিরের হাতে তুলে দিয়ে এসে তার থেকে সরে এসেছে। ধারাবাহিকের গল্প এখন লালন-ফুলঝুরির বিরহের ট্র্যাকের উপর দিয়ে হাঁটছে। যদিও এটা টিআরপি বাড়ার বদলে বেশ খানিকটা নেমেছে।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Souravi Tarafdar (@souravi91)