সংবাদপত্রের মাধ্যমে কি করোনা ভাইরাস ছড়াতে পারে, কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা

কোভিড-১৯ ভাইরাসে সারা বিশ্বে ৪৪০,৩২১ জন সংক্রমিত হয়েছেন। সারা বিশ্বে মৃত্যু হয়েছে ১৯,৭৫২ জন। ভারতেও করোনা সংক্রমিত ৫০০ জনের বেশি মানুষ। এই সময়ে চিকিৎসকেরা করোনা এড়াতে সাম্ভাব্য কি কি করা উচিৎ সেই সংক্রান্ত নির্দেশ দিচ্ছেন। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভুয়ো খবর ও গুঁজব ছড়াতে বেশি সময় লাগে না। কিছু মানুষ এত গুঁজব ছড়াচ্ছেন যে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে যাচ্ছেন। ফেসবুকের মতো সোশ্যাল মিডিয়ায় গুঁজব রটছে বাড়িতে খবরের কাগজ নিলে করোনা সংক্রমনের আশঙ্কা বেশি।

এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই অনেকে কাগজ নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। এমনকি অনলাইনে জিনিস কেনাও বন্ধ করে দিয়েছেন। তবে চিকিৎসকেরা বলছেন এই ধারণা একেবারেই ভুল। খবরের কাগজ কিনলে করোনা ভাইরাস ছড়াবে না। এমনকি খবরের কাগজ উলটে পড়লেও ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা নেই।

ডাক্তাররা জানাচ্ছেন, খবরের কাগজ কিনলে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। কোনো ব্যক্তি যদি খবরের কাগজ বাড়ির বাইরে গিয়ে কোনো ভিড় জায়গায় পড়েন তাহলে করোনা আক্রান্তের সম্ভাবনা রয়েছে। বাইরে ভিড় জায়গায় গিয়ে খবরের কাগজ পড়লে সেখান থেকে কমিউনিটি স্প্রেড হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে বাড়িতে নেওয়া খবরের কাগজে কোনো আশঙ্কা নেই। তাই খবরের কাগজ বাড়িতে পড়ুন,ভিড় জায়গায় নয়।

খবরের কাগজ বন্ধের সাথে সাথে অনেকেই অনলাইনে কোনো জিনিস অর্ডার দিয়ে নিতে চাইছেন না। যারা অনলাইনে ভরসা করে থাকতেন তাঁরাও জিনিস কিনতে বাজারে যাচ্ছেন। কিন্তু এ নিয়েও চিকিৎসকেরা বলছেন ভয় পাওয়ার কিছুই নেই। ডাক্তার ওম শ্রীবাস্তব এই বিষয়ে জানাচ্ছেন, খবরের কাগজ ও অনলাইনে কেনা জিনিসে যে করোনা ছড়ায় আগে সে তত্ত্ব প্রমান করতে হবে।

আরও পড়ুন :- করোনা ভাইরাস কতক্ষণ বেঁচে থাকে, করোনা জ্বর হলে কীভাবে বুঝবেন

চিকিৎসকেরা বলছেন কোভিড-১৯ ভাইরাসটি খবরের কাগজে কোভিড-১৯ ভাইরাস বেশিক্ষন বেঁচে থাকতে পারে না। ফলে বাড়িতে এনে খবরের কাগজ পড়াতে কোনো সমস্যা হবে না। তবে ডাক্তারের দাবি অসাবধানতার জন্যই ভাইরাস ছড়ায়। অনেকেই নোংরা হাত চোখে মুখে দিয়ে দিচ্ছেন সেই ক্ষেত্রে সংক্রমনের ভয় থেকে যায়। নোংরা হাত মুখে না দিয়ে বারবার স্যানিটাইজার বা হ্যান্ড ওয়াশ দিয়ে হাত ধোঁয়া উচিৎ। অন্যদিকে খবরের কাগজ তৈরী থেকে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া পর্যন্ত সাবধানতা বজায় রাখা হচ্ছে। ফলে খবরের কাগজ একেবারেই নিরাপদ। তাই গুজবে কান দেবেন না।