বলিউডে মাদক চক্রে জড়িয়েছেন এই ১৫ অভিনেতা-অভিনেত্রী

রিয়া চক্রবর্তীর গ্রেফতারির পরে বলিউডের সরগরম হয়ে উঠেছে মাদকচক্রের রিয়া চক্রবর্তী ইতিমধ্যে এমসিবিকে ১৮ জনের নাম দিয়েছেন যারা মাদক সেবন করেন। নার্কোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) বসিত পরিহার নামে বান্দ্রার এক বাসিন্দাকে গ্রেফতারও করেছে বুধবার। গ্রেফতার করা হয়েছে অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তীর ভাইকেও। নাম জড়াচ্ছে শিল্পা শেট্টির পরিবারেরও।

তবে বলিউডের মতো দুনিয়ায় মাদক যুগের ঘটনা কিছু নতুন নয় এর আগেও বহু তারকা সাথে মাদকের যোগের খবর প্রকাশে এসেছে অনেকেই কারনে জেলে গিয়েছেন আবার অনেকে নিজেরই এই নেশার কথা জনসমক্ষে স্বীকার করেছেন। কিছু জনের কথা দেখে নেওয়া যাক।

রণবীর কপূর : বলিউডের দুই হার্টথ্রব রণবীর এর  বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন কঙ্গনা রানাওয়াত। তার মধ্যে ঋষি কাপুর পুত্র রণবীর কাপুর এর আগেও তার মাদক যোগের কথা স্বীকার করেছিলেন । তিনি নাকি ছোটবেলা থেকেই মাদক সেবন করতেন। এর জন্য তাকে একবার ই হাভে পাঠানো হয়েছিল।

সুজান খান : হৃত্বিক ও সুজানের বিচ্ছেদের পর সুজান খান আরো বেশি করে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। বলে জানা যায় তিনি তখন আরো বেশি ড্রাগ নিতে শুরু করেন।

সঞ্জয় দত্ত : সম্প্রতি ভীষণ অসুস্থ সঞ্জুবাবা। লাং ক্যান্সার ধরা পড়েছে তার। তার মাদক সেবনের কথা সারা বলিউডে পরিচিত। তার ক্যারিয়ারের ক্ষতি মাদকের জন্য এবং তার শরীর খারাপের জন্য এই মাদকই দায়ী বলে মনে করেন চিকিৎসকরা।

হানি সিংহ : জনপ্রিয় ব্যাপার হানি হানি সিং কে কার না ভালো লাগে। কিন্তু এই হানি সিং গাঁজা মদ কোকেন থেকে শুরু করে সব রকম মাদকের সাথে যুক্ত। এই নিয়ে বহুবার রিহ্যাবে গিয়েছেন তিনি।

সূর্য পাঞ্চোলি : প্রেমিকার জিয়া খানের হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত হওয়ায় অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন সুরজ পাঞ্চোলি। তারপর থেকে তিনি মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন।

গৌরী খান : বলিউড বাদশা কিং খান শাহরুখের স্ত্রী গৌরী। বার্লিন বিমানবন্দরে নাকি ধরা পড়েছিলেন সঙ্গে মারিজুয়ানা ছিল বলে।

মনীষা কৈরালা : নব্বই দশকের জনপ্রিয় নায়িকা মাদক সেবন করতেন। তবে ক্যান্সার ধরা পড়ায় তিনি এই অভ্যাস ত্যাগ করেছিলেন।

মমতা কুলকার্নি : মমতা কুলকানি ও তার স্বামী দু’জনের বিরুদ্ধে মাদক যোগের অভিযোগ ছিল। তার মমতা একবার মাদক পাচারের ঘটনায় অভিযুক্ত হয়ে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

পরভিন ববি : জনপ্রিয় এই অভিনেতা ড্রাগের ওভারডোজ এবং মাদকাসক্তির ফলে প্রাণ হারান।

রবিনা টন্ডন : অক্ষয় কুমারের সাথে বিচ্ছেদের পর অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন রবীনা ট্যান্ডন।  ফলে তিনি গাঁজা ও মাদক নিতে শুরু করেন।

আরও পড়ুন : আগে সেক্স তারপর ট্যালেন্ট, টলিউডে কাজ পেতে শুতে হয় ছেলেদেরও

কপিল শর্মা : ক্যারিয়ার সংকটে ভোগার কারণে এই কৌতুক অভিনেতা মাদকের আশ্রয় নেন।

বিজয় রাজ : দুবাই বিমানবন্দরে গ্রেফতার হয়েছিলেন বিজয় রাজ। তার কারণ তার সঙ্গে গাঁজা পাওয়া গিয়েছিল।

রাহুল মহাজন : প্রাক্তন সংসদের এই পুত্রের মাদক সেবনের আসক্তি ছিল। ফলে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন অনেকবার ।

আরও পড়ুন : মধুচক্র থেকে MMS ফাঁস, এক নজরে বলিউড অভিনেত্রীদের বিতর্কিত অধ্যায়

মীনা কুমারী : বিচ্ছেদের পর অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন মীনাকুমারি। সেই দুঃখ লাঘব করতে আকন্ঠ মদ্যপান  করতেন। এর প্রভাব তার অভিনয় জীবনের উপরে পড়েছিল।

গীতাঞ্জলি নাগপাল : অবরোধের কারণে ভয়ংকরভাবে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন এই সুপার মডেল এবং অভিনেত্রী।