সমাজে নোংরামি ছড়াচ্ছে জি বাংলার সিরিয়াল! গুরুতর অভিযোগে ক্ষোভে ফুঁসছেন নেটিজেনরা

সমাজ নষ্ট করে দিচ্ছে লক্ষ্মী কাকিমা সুপারস্টার! জি বাংলার সিরিয়ালের বিরুদ্ধে উঠলো গুরুতর অভিযোগ

Audiences are demanding to bann Lokkhi Kakima Superstar

বাংলা সিরিয়ালের (Bengali Mega Serial) বিরুদ্ধে মাঝে মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়াতে কলম ধরেন দর্শকরা। সিরিয়ালের গল্পের প্লটে আলটপকা বিষয়বস্তু ঢুকিয়ে টিআরপি বাড়ানোর চেষ্টা হলে প্রতিবাদ করেন তারা। শুধু টিআরপির জন্য সিরিয়াল নির্মাতারা মাঝেমধ্যেই গল্পের বিষয়বস্তুর মধ্যে কিছু অদ্ভুত প্লট ঢুকিয়ে দেন। বহুদিন ধরেই পরকীয়া, সাংসারিক অশান্তি দেখানো নিয়ে বাংলা সিরিয়ালের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে এসেছেন দর্শকরা।

এবার জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক লক্ষ্মী কাকীমা সুপারস্টারের (Lokkhi Kakima Superstar) বিরুদ্ধেও সোশ্যাল মিডিয়াতে দর্শকদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যদিও এই ধারাবাহিক শুরু থেকে দর্শকদের বেশ ভালই লেগেছে এতদিন। লক্ষ্মী কাকিমার মজার মজার কাণ্ডকারখানা দেখে হেসে গড়িয়েছেন তারা। এবার গল্পে এসেছে নাটকীয় মোড়। নাতি-নাতনির মুখ দেখার বয়সে লক্ষ্মী কাকিমা নাকি আবার নিজেই প্রেগন্যান্ট!

বিগত কয়েক দিন ধরে ধারাবাহিকে এমনটাই দেখানো হচ্ছে। অসুস্থ লক্ষ্মী কাকিমাকে পরীক্ষা করে ডাক্তার খুশির খবর শোনায়। এদিকে লক্ষ্মী কাকিমার বড় বৌমাও প্রেগনেন্ট। সম্প্রতি ধারাবাহিকে দেখানো হয়েছে শাশুড়ি এবং বৌমা একসঙ্গে বসে সাধ খাচ্ছেন। এই যুগে এইসব দৃশ্য দেখে তো রীতিমত চোখ কপালে উঠেছে দর্শকদের। ধারাবাহিকের নতুন ট্র্যাক দেখে মজা পাওয়ার বদলে বরং চটেই যাচ্ছেন তারা।

ধারাবাহিকের সাম্প্রতিকতম প্রোমোতে দেখানো হয়েছে বাড়ির সকলে লক্ষ্মী কাকিমা এবং তার বৌমাকে একসঙ্গে বসিয়ে সাধ খাওয়াচ্ছে। বৌমার সঙ্গে সঙ্গে বাচ্চার জন্ম দেবেন লক্ষ্মী কাকিমা নিজেও! দৃশ্যটা ঠিক মেনে নিতে পারছেন না দর্শকরা। সোশ্যাল মিডিয়াতে তারা উগড়ে দিচ্ছেন ক্ষোভ। এই দৃশ্য দেখে এই সিরিয়ালের বিরুদ্ধে সমাজে নোংরামি ছড়ানোর অভিযোগ তুলছেন।

নেটিজেনরা কেউ লিখছেন সমাজকে নষ্ট করে দিচ্ছে লক্ষ্মী কাকিমা সুপারস্টারের মত সিরিয়াল। কেউ চাইছেন সিরিয়ালটা এখনই বন্ধ করে দেওয়া হোক। কারণ সমাজে নোংরা শিক্ষা দিচ্ছে এই সিরিয়াল। সোশ্যাল মিডিয়াতে এই ধারাবাহিক বন্ধের ডাক দিচ্ছেন দর্শকদের একাংশ। এমনকি সিরিয়াল বয়কটের হুমকিও দিচ্ছেন তারা। দর্শকদের বিক্ষোভের কথা মাথায় রেখে শেষমেষ গল্পের কিছু পরিবর্তন আসে কিনা সেটাই এখন দেখার।

এদিকে এই এপিসোডগুলি দেখে সোশ্যাল মিডিয়াতে কেউ লিখছেন, “সিরিয়ালটা প্রথমে দেখতে ভালো লাগছিল। সবার সাথে দেখার মত। তারপর দেখি কথাগুলো যখন শুনি নিজেরই বাজে লাগে। এই কথাগুলো বলার কি খুবই দরকার ছিল? গল্পটা তো অন্যভাবেও বাড়ানো যেত।” কেউ লিখছেন বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটে থাকে। তবে সিরিয়ালে এটা দেখানোটা তাদের কাছে উচিত বলে মনে হচ্ছে না।