বাংলা থেকে দ্বিতীয় শ্রেয়া ঘোষাল পেল ভারত, জাতীয় মঞ্চে উজ্জ্বল হল বাংলার মুখ

জাতীয় মঞ্চে বাংলার জয় জয়কার, বাংলার মেয়ে অঙ্কনার গানে মুগ্ধ গোটা দেশ

ANKANA DEY SAREGAMAPA LIL CHAMPS

জাতীয় মঞ্চে গান গেয়ে বাংলার প্রতিভারা একে একে নিজেদের গানের প্রতিভার বিকাশ ঘটাচ্ছেন। প্রায় প্রত্যেক বছরই নাচ-গানের জাতীয় রিয়েলিটি শোয়ের মঞ্চগুলিতে বাংলা থেকে কম-বেশি বেশ কিছু প্রতিযোগী সুযোগ পান। এই বছরেও জি টিভির ‘সারেগামাপা লিল চ্যাম্পস’তে (Sa Re Ga Ma Pa lil Champs) ঠাঁই পেয়েছে বাংলার এক খুদে প্রতিযোগী। নাম তার অঙ্কনা দে (Ankana Dey)।

প্রত্যেক বছরের মত এই বছরেও জি টিভির তরফ থেকে ভারত সেরা কিছু সংগীত শিল্পীদের বিচারকের আসনে বসিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণের মাধ্যমে বেছে নেওয়া হচ্ছে সেরার সেরা গায়ক-গায়িকাদের। পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুরের মেয়ে অঙ্কনাও এই বছর এই প্রতিযোগিতাতে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে। তাকে নিয়ে গর্বিত গোটা বাংলা।

ANKANA DEY SAREGAMAPA LIL CHAMPS

মাত্র ১১ বছরের মেয়ে অঙ্কনার গানের গলায় মুগ্ধ বিচারকরা। শংকর মহাদেবন, নীতি মোহন, অনু মালিকদের গান শুনিয়ে একেবারে মুগ্ধ করে দিয়েছে সে। তার প্রতিভা দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন সকলে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়াতে সেই এপিসোডেরই এক ঝলক ভাইরাল হয়েছে। যেখানে ছোট্ট অঙ্কনাকে গান শোনাতে শোনা যাচ্ছে।

জনপ্রিয় ‘কারিব’ ছবির গান ‘চোরি চোরি যব নজরে মিলি’ গেয়ে শোনায় অঙ্কনা। গানটি গেয়েছিলেন জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী কুমার শানু এবং সঞ্জীবনী। গানের কম্পোজ করেছিলেন অনু মালিক। এদিন তিনিও বিচারকের আসনে উপস্থিত ছিলেন। তারই সামনে গান গেয়ে শোনায় অঙ্কনা। শুধু গান গাওয়া নয়, গানের তালে তালে শিশ দিয়েও সে সকলকে মুগ্ধ করে দিয়েছে।

অঙ্কনার কন্ঠে এই গানটি এত নিখুঁত হয়েছে যে বিচারকরা প্রশংসার ভাষা হারিয়ে ফেলেন। অনু মালিক শুধু বলেন এই প্রতিযোগিতা অঙ্কিতাই জিতবে। বাংলার এই খুদে শিল্পীর গানে আজ মুগ্ধ গোটা দেশ। মাত্র ৯৯ সেকেন্ডে গান গেয়ে অঙ্কনা প্রতিযোগিতার মঞ্চে যেন ম্যাজিক মুহূর্ত তৈরি করে। তার গান শুনে প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন নেটিজেনরাও।

ANKANA DEY MEDINIPUR SAREGAMAPA LIL CHAMPS

প্রথম গানটি গেয়েই সারেগামাপা লিল চ্যাম্পস প্রতিযোগিতায় আপাতত সিলেক্ট হয়ে গেল। অঙ্কনার গান শুনে কেউ লিখছেন, “খুবই মিষ্টি গলা তোমার। তোমার মধ্যে শ্রেয়া ঘোষালকে দেখতে পাচ্ছি।” অঙ্কনাকে জাতীয় মঞ্চে দেখে গর্বিত মেদিনীপুরবাসীরাও। তারা লিখছেন, “আমাদের মেদিনীপুর এক নম্বর। অনেক শুভেচ্ছা। মেদিনীপুরের নাম এগিয়ে নিয়ে যাবে আমাদের অঙ্কনা।”