প্রশান্ত কিশোর নাকি অমিত শাহ ভোট কৌশলী হিসেবে এগিয়ে কে

Who is the Best Vote Strategist Amit Sah or Prasant Kishor

সামনে বাংলা দখলের ভোট আর বাংলার ক্ষমতা এবার বিজেপির (BJP) পাখির চোখ।বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও তাকিয়ে আছেন এইদিকে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বাংলায় বিজেপির আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেধে দিয়েছেন। তিনি হুংকার দিয়েছেন ২০০ র বেশী আসন পেয়ে বাংলায় আসবে বিজেপি। এর পাল্টা দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) প্রশান্ত কিশোর (Prasant Kishore) দাবি করেছেন তিন অংকের আসন সংখ্যা অধরাই থেকে যাবে বিজেপির।

Who is the Best Vote Strategist Amit Sah or Prasant Kishor

সম্প্রতি বাংলার জনগতের মতামতের ওপর ভিত্তি করে ভোট পূর্বে একটি সমীক্ষা করেছে সি ভোটার (C Voter Survey)। সি ভোটারের সমীক্ষা রিপোর্ট (C Voter Survey 2021) বলছে বাংলা থাকবে তৃণমূল কংগ্রেসের দখলেই। কিন্তু যেখানে প্রশ্ন উঠলো অমিত শাহ নাকি প্রশান্ত কিশোর, সেখানে অনেকাংশ পাল্টে গেল চেনা সমীকরণ।

বাংলার রায়ের সমীক্ষা বলছে বাংলায় কত শতাংশ মানুষ অমিত শাহ এর পক্ষে আছেন এবং কত শতাংশ মানুষ প্রশান্ত কিশোরের পক্ষে আছেন। এমন মানুষও আছেন যারা কোনও পক্ষের হয়েই কথা বলতে চাইছেন না। তবে যতটুকু সমীক্ষা করা সম্ভব হয়েছে, দেখা যাচ্ছে এই সমীক্ষার রিপোর্ট একদমই মিলছে না সি ভোটারের সাথে।

কি বলছে এই সমীক্ষার রিপোর্ট?

অমিত শাহ বলেছিলেন বাংলায় ২০০র বেশী আসনে জিততে চলেছে বিজেপি। তার এই কথাকে সমর্থন জানিয়েছেন বাংলার ৪১ শতাংশ মানুষ। অন্যদিকে প্রশান্ত কিশোর বলেছিলেন বাংলায় তিন অঙ্ক ছুঁতে পারবে না বিজেপি। এই মতকে সমর্থন জানিয়েছেন ৩৬ শতাংশ মানুষ। তবে বাকি ২৩ শতাংশ মানুষ এই বিতর্কের মাঝে ঢুকতে চাইছেন না।

কি বলেছিল সি ভোটার সমীক্ষা?

সি ভোটার সমীক্ষার রিপোর্ট বলেছিল বাংলার নীলবাড়ি আবার যাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দখলেই। সি ভোটারের সমীক্ষা মতে ২০২১ বিধানসভায় ১৫৪ থেকে ১৬২টি আসন পেতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে ৯৮ থেকে ১০৬টি আসন পেতে পারে বিজেপি। এই সমীক্ষা অনুসারে মাত্র ২৬ থেকে ৩৪ টি আসন পেতে পারে বাম কংগ্রেস জোট।অন্যান্যদের দখলে থাকবে ২ থেকে ৬টি আসন।

সমীক্ষায় ভোট কৌশলী হিসেবে এগিয়ে কে

এই সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে এগিয়ে আছেন অমিত শাহ। কিন্তু সংস্থা জানাচ্ছে বাংলার জনমত যখন নেওয়া হয়েছিল তখন বর্তমান শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকেই গিয়েছিল জনগণের রায়। অন্যদিকে অমিত শাহ এবং প্রশান্ত কিশোরের দাবির আঙ্গিকে রায় নেওয়া হয়েছিল দেশের আঙ্গিকে। দেশের মানুষের আস্থা অমিত শাহ এর দিকেই গেছে।