ঘূর্ণিঝড় আমফান কত বেগে কোন জেলায় উপর দিয়ে যাবে দেখে নিন

ঘূর্ণিঝড় আমফান কত বেগে কোন জেলায় উপর দিয়ে যাবে দেখে নিন

প্রতিনিয়ত শক্তি সঞ্চয় করে চলেছে ঘূর্ণিঝড় আমফান। মৌসম ভবন জানিয়েছে, দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে উপর তৈরি হওয়া এই ঘূর্ণিঝড় রাতভর শক্তি সঞ্চয় করেছে। আর আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অতি শক্তিশালী হয়ে উঠবে আমফান। ইতিমধ্যেই আইএমডি-এর তরফ থেকে পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশার উপকূলে সর্তকতা জারি করেছে।

আইএমডি-এর তরফ থেকে শেষ রিপোর্টে জানানো হয়েছে বর্তমানে এই ঘূর্ণিঝড় অবস্থান করছে ১৩.৩ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৪৬.৩ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। ওড়িশার পারাদ্বীপ থেকে ৭৮০ কিলোমিটার দক্ষিণে আর পশ্চিমবঙ্গের দীঘা উপকূল থেকে ৯৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম ভাগে অবস্থান করছে এই সাইক্লোন।

পাশাপাশি বাংলাদেশের খেপুপাড়া থেকে ১০৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ পশ্চিমে বিরাজ রয়েছে। আগামী ৬ ঘন্টায় সুপার সাইক্লোনে পরিণত হতে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। অনুমান করা হচ্ছে গতিবেগ ১৫৫-১৮০ কিমি থাকতে পারে স্থলভাগে। ইতিমধ্যেই এনডিআরএফ-এর তরফ পশ্চিমবঙ্গের ৭টি দল ও ওড়িশার ১০টি দল পাঠিয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় আমফান কত বেগে কোন জেলায় উপর দিয়ে যাবে

৫৫-৭৫ কিমি গতিবেগে ১৯ তারিখ সকালের পর থেকে দুপুর পর্যন্ত ঝড় বইতে পারে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী এলাকায়। এরপর ধীরে ধীরে হাওয়ার গতিবেগ বাড়বে।

২০ তারিখ সকাল থেকেই পশ্চিমবঙ্গের দুই মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, কলকাতা এই সকল জেলায় ঝড়ের গতিবেগ পৌঁছে যাবে ৭৫ থেকে ৯৫ কিমিতে। যদিও এই ঝড়ের গতিবেগ ওড়িশায় ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করবে আর স্থান বিশেষে পৌঁছাতে পারে ১১০-১৩৫ কিমিতে।

আরও পড়ুন :- কিছুক্ষণের মধ্যেই ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়, দেখুন ‘আমফান’-এর Live গতিপথ

২০ তারিখ দুপুর থেকে রাত্রি পর্যন্ত ১৫৫ থেকে ১৮৫ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইতে পারে পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। ওই একই সময়ে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ঝড় বইতে পারে ১০০-১২০ কিমি গতিবেগে।

আরও পড়ুন :- কিছুক্ষণের মধ্যেই ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়, দেখুন ‘আমফান’-এর Live গতিপথ

ঘূর্ণিঝড় আমফানের প্রতিনিয়ত অবস্থান ও পূর্বাভাস দিয়ে যাচ্ছে মৌসম ভবন। আর সেই সকল পূর্বাভাসের পরিপ্রেক্ষিতেই কোন জেলার উপর দিয়ে কত কিলোমিটার গতিবেগে এই ঘূর্ণিঝড় বয়ে যেতে পারে তার একটা অনুমান। তবে এই পরিসংখ্যান যেকোনো সময় পরিবর্তিত হতে পারে। আর তার পরিবর্তন ঘটলেও মৌসম ভবন নতুন অবস্থান ও পূর্বাভাস সম্পর্কে জানিয়ে দিচ্ছে।