দুধের মত ফর্সা হবে ত্বক, রাতের বেলায় এই ছোট্ট কাজ মুছে দেবে ত্বকের সব দাগ

অ্যালোভেরা জেল দিয়ে এইভাবে বানিয়ে নিন নাইট ক্রিম, নামিদামী ব্র্যান্ডও এই ক্রিমের কাছে ফেল

উজ্জ্বল ত্বক কে না চায়? বয়স ১৮ হোক বা ৮০, ত্বকের পরিচর্যা কমবেশি সকলেই করে থাকেন। শীতকালে অবশ্য ত্বকের বেশি যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। এই সময় আর্দ্রতার অভাবে ত্বক তাড়াতাড়ি নিষ্প্রাণ হয়ে পড়ে। তাই বাড়তি কিছু সতর্কতা অবশ্যই নিতে হবে। দিনে যেভাবে ত্বকের যত্ন নিচ্ছেন তা তো করবেনই সেই সঙ্গে রাতেও কিছু বিশেষ যত্ন (Skin care tips) নিতেই হবে।

ইদানিং বাজার চলতি বিভিন্ন ব্র্যান্ড বিভিন্ন বয়সের জন্য বিভিন্ন রেঞ্জের ডে ক্রিম, নাইট ক্রিম, সিরাম ইত্যাদি এনেছে। যত দামী ব্র্যান্ড হোক না কেন, কিছু না কিছু কেমিক্যাল এই ধরনের সামগ্রীতে মেশানো থাকেই। ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরা জেল (Aloevera gel Night Cream) একটি দারুণ কার্যকরী উপাদান। বাজারের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের অ্যালোভেরা জেল পাওয়াও যায় এখন। নাইট ক্রিম হিসেবে অ্যালোভেরা জেলের কোনও তুলনা হয় না।

অ্যালোভেরা জেলের নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ে। ত্বকের উপর কালো ছোপ থাকলে তা দূর হয়ে যায়। তাই বেশিরভাগ নাইট ক্রিমের মধ্যে এই উপাদানটি থাকে। তবে আপনি চাইলে বাড়িতে গাছ লাগিয়ে সেখান থেকেও সরাসরি মুখে ব্যবহার করতে পারেন জেল। তবে অনেকের ক্ষেত্রে আবার অ্যালোভেরা জেলের সরাসরি ব্যবহারে ইচিংয়ের সমস্যা দেখা দেয়।

অ্যালোভেরা জেল ব্যবহারে যদি সমস্যা থাকে তাহলে ব্যবহার করতে পারেন তিসির জেল বা ফ্ল্যাক্স সিডের জেল। এই উপাদান নিয়মিত নাইট ক্রিমের মত রাতে ব্যবহার করে দেখুন অন্তত সাত দিন। তাহলেই তফাতটা বুঝতে পারবেন। এছাড়া আপনি যদি কোনও ভাল মানের নাইট ক্রিম বানাতে চান তাহলে চাল, কাঁচা দুধ এলোভেরা জেল এবং ভিটামিন ই ক্যাপসুল দিয়ে বানিয়ে নিতে পারেন দুর্দান্ত কার্যকরী একটি ক্রিম।

চাল এবং অ্যালোভেরা জেলের এই ক্রিম বানানোর জন্য প্রথমে কোনও ভাল চাল আগের দিন রাতে অথবা অন্তত ১০ থেকে ১২ ঘন্টা ভাল করে জলের মধ্যে ভিজিয়ে রেখে দিন। তারপর জল শুদ্ধ চাল ভাল করে মিক্সিতে বেটে নিতে হবে। এবার এই পেস্টের মধ্যে একে একে কাঁচা দুধ অ্যালোভেরা জেল এবং ভিটামিন ই ক্যাপসুল ভাল করে মিশিয়ে নিন। যেকোনও দামী ক্রিমকে কার্যকারিতার নিরিখের টেক্কা দিতে পারে এই নাইট ক্রিম।

আপনি চাইলে এই নাইট ক্রিম বানিয়ে দু তিন দিন ফ্রিজের বাইরে রেখে ব্যবহার করতে পারেন। তবে এক সপ্তাহ ব্যবহার করতে চাইলে অবশ্যই ফ্রিজে রাখতে হবে। রাতে ভাল করে মুখ ধুয়ে নাকের দুই পাশ, চোখের চারপাশ এবং মুখে যেখানে কালো দাগ বেশি রয়েছে সেখানে ভাল করে লাগিয়ে শুয়ে পড়ুন। এভাবে সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ব্যবহার করুন তাহলেই দেখবেন ত্বক কতটা উজ্জ্বল হয়ে গিয়েছে।