Kiss Day Special : চুমু কত রকমের হয়? জেনে নিন খুঁটিনাটি

459

একটি ভালোবাসার সম্পর্কের মধ্যে একটুকু ছোঁয়ার জন্য আকুলি-বিকুলি করে উঠে মন। সেই ছোঁয়াটুকুর মধ্যে থাকে পরম মমতা। বিশ্বস্ততা। ভালোবাসার সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো চুমু বা কিস। প্রেমের সম্পর্কে অজস্র কথা যা প্রকাশ করতে পারে না তা সহজভাবে বুঝিয়ে দিতে পারে একটি আলতো চুমু।

ফেব্রুয়ারির ৭ তারিখ থেকে শুরু হয়েছে ভালোবাসার সপ্তাহ, যা শেষ হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসের মাধ্যমে। ভালোবাসা সপ্তাহে ৭ ফেব্রুয়ারি রোজ ডে, ৮ ফেব্রুয়ারি প্রোপোজ ডে, ৯ ফেব্রুয়ারি চকলেট ডে, ১০ ফেব্রুয়ারি টেডি ডে, ১১ ফেব্রুয়ারি প্রমিজ ডে, ১২ ফেব্রুয়ারি হাগ ডে পেরিয়ে আজ ১৩ ফেব্রুয়ারি ‘কিস ডে’।

প্রেমের খুব গুরত্বপূর্ণ উপাদান হল চুমু। একটা চুমুতে ঘুঁচে যায় সব দূরত্ব। একটা চুমুতেই মিটে যায় সব বিবাদ। আর তাই ভ্যালেনটাইন্স ডে-র আগের দিনটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। বলা হয়ে থাকে, চুমুর প্রকারভেদ দিয়ে ভালবাসা যে নানা স্তরের তা প্রকাশ করা হয়ে থাকে। এখানে নানা ধরনের চুমু খাওয়ার রেওয়াজ নিয়ে আলোচনা করা হবে-

Source : Giphy

 

গালে চুমু : একজনের গাল আর একজনের গাল স্পর্শ করে যে চুমু খাওয়া হয়, তাকে চিক কিসিং বলে। মা শিশুকে এই ভাবে চুমু খেয়ে থাকেন।

Source : Giphy

হাতে চুমু- কারও হাত সামনের দিকে টেনে করতলের পিছনে চুমু খাওয়ার রেওয়াজ ইউরোপে বহু প্রাচীন। এর সাহায্যে অপরকে সম্মান ও সৌজন্য প্রকাশ করা বোঝায়।

Source : Giphy

কপালে চুমু- কপালে চুমু খেয়ে ভালবাসা প্রকাশ করা হয়ে থাকে। এটা সব থেকে সুন্দর ও ভদ্র ধরনের চুমু। এটাকে সাধারণত স্টার্টার কিস-ও বলা হয়ে থাকে।

লিপ কিস: এই চুমুতে প্রেমিকার নীচের ঠোঁটটাকে নিজের দুই ঠোঁটের মধ্যে টেনে নিয়ে প্রেমিক চুষতে থাকে। বিপরীতে প্রেমিকাও ওই একই ভাবে প্রেমিকের ঠোঁটা টেনে নিয়ে চুষতে থাকে।

ফ্রেঞ্চ কিস- এই চুমুতে ঠোঁটের কোনও গুরুত্ব সে ভাবে নেই। এখানে একজনের জিহ্বা অপরজনের জিহ্বাকে স্পর্শ করতে হবে, তারপরে উভয়ে তাদের জিহবাকে স্পর্শ করে ঘোরাতে হবে। এই চুমু বেশ রোমান্টিক, প্যাশনেট এবং উষ্ণ।

এস্কিমো কিস- নামের শুনেই বোঝা যায় এই কিস বা চুমু এস্কিমোদের থেকে আমদানি করা হয়েছে। এই চুমুর বৈশিষ্ট হচ্ছে, একজনের নাক অপরজনের নাকের সঙ্গে ঘষাঘষি করা, কিছুটা সময় ধরে। মূলত স্নেহ প্রকাশ করতেই এই চুমু খাওয়া হয়।

লিঙ্গারিং কিস: এই চুমুর বৈশিষ্ট হচ্ছে এতে জিহ্বার কোনও রকম ব্যবহার হয় না। মুখ বন্ধ করে শুধু একজনের ঠোঁট অপরজনের ঠোঁটকে আলতো করে ছোঁয়াতে হয়।

অ্যাঞ্জেল কিসিং: যখন কাউকে বিদায় জানাতে হয়, তখন তার প্রতি ভালবাসা বা স্নেহ প্রকাশ করতে তার চোখের পাতায় বারবার চুমু খেয়ে বিদায় সম্ভাষণ জানাবার রীতিকে অ্যাঞ্জেল কিসিং বলে। এই চুমুতে স্নেহের প্রকাশ থাকে বেশি।

লিজার্ড কিসিং: প্রেমিক বা প্রেমিকার মধ্যে যে কোনও একজন অপরজনের মুখের ভিতর জিহ্বা ঢোকাবে আর বের করবে।

লিভ আ মার্ক কিস: এই চুমু শুধু মেয়েরাই খেয়ে থাকে, কারণ এই চুমু খেতে হলে দু’ঠোঁটে ভাল করে লিপস্টিক লাগাতে হয়। তারপর সঙ্গীর গালে, মুখে, কপালে বা শরীরের অন্য স্থানে ভাল করে চুমু খেয়ে ঠোঁটের ছাপ করে দিতে হবে।

আরও পড়ুন : ভ্যালেন্টাইন ডে কি এবং কীভাবে শুরু হল তার কাহিনী

সিডাক্টিভ কিস: নামের মধ্যেই চুমুর স্বভাব ব্যক্ত হয়েছে। এটা ফ্রেঞ্চ কিসের মতোই কিন্তু এখানে জিহ্বার কোনও ব্যবহার হবে না। এখানে মুখের ব্যবহার বেশি হয়ে থাকে। এর স্পন্দন হৃদয়ে পৌঁছে এবং যৌন উত্তেজনা বাড়ায়।

আরও পড়ুন : প্রেম হয় ৭ রকমের, আপনারটা ঠিক কী রকম ?

কোথায় চুমু খেলে কেমন সম্পর্কটা হয়?

  • কপালে আলতো চুমু সম্পর্কের গভীরতা এবং নির্ভরতা বোঝায়।
  • কানে চুমু বোঝায় প্রেমের সম্পর্কে আপনি কতটা প্যাশনেট।
  • ঘাড়ে চুমু খেলে বোঝায় প্রেমিক বা প্রেমিকা খুবই রোমান্টিক।
  • গালে চুমু ইঙ্গিত দেয় বন্ধুত্বের।
  • হাতের তালুতে চুমু বোঝায় আপনার পছন্দ।
  • প্রিয়জনের পায়ের তালুতে আলতো চুমু প্রলুব্ধতাকে নির্দেশ করে।
  • তেমনই কাঁধে খাওয়া চুমু বুঝিয়ে দেবে আপনার প্রিয়জনকে আপনি কতটা চান।
  • প্রেমিকার নাভি বা কোমরের কাছে চুমু খাওয়া গভীর যৌনতার প্রকাশ। যদি যৌনমিলন ছাড়াও আপনার প্রেমিক যদি ঘনঘন কোমরে চুমু খায় তবে প্রেমিকার প্রতি শারীরিকভাবে অত্যন্ত বেশি আকৃষ্ট।
  • হাতের উল্টো পিঠে চুমু  যে কোনও মেয়েকেই সম্মান জানানোর জন্য করা হয়। তা বাদ দিয়ে প্রেমের ক্ষেত্রে এর আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। প্রেমিকার হাতে যারা এভাবে চুমু খান তবে বুঝতে হবে তাদের প্রেমিকার প্রতি গভীর সম্মান রয়েছে।
Loading...