রটন্তী কালীর আরাধনায় পূর্ণ হবে সব মনোবাঞ্ছা, মায়ের পুজোয় ফিরবে ভাগ্য

“রটনা” শব্দ থেকে রটন্তী শব্দটা এসেছে। রটনা শব্দের অর্থ প্রচার হওয়া। মনে করা হয়, এই বিশেষ দিনেই দেবীর মহিমা চতুর্দিকে রটে যায়। মুক্তকেশী মায়ের মহিমা এই তিথিতেই সর্ব স্তরে রটিত হয়ে থাকে।

হিন্দু ধর্মে শক্তি রূপে আরাধনা করা হয় মা কালীকে।তিনিই শক্তির প্রতীক। বিভিন্ন তিথিতে মা কালীর বিভিন্ন রূপের পুজো করা হয়।এমনই এক রূপ রটন্তী কালী (Ratanti Kali Puja)। দেবীর পুজো হয় মাঘ মাসের চতুর্দশী অমাবস্যায়। রটনা’ শব্দ থেকে রটন্তী শব্দটি এসেছে। মনে করা হয়, এই বিশেষ দিনে চারিদিকে রটে যায় দেবীর মহিমা।

All You Need to Know About Maa Kali & Kali Puja

লোক কথা থেকে জানা যায় এই দিনই দেবী পার্বতী নিজের সহযোগীদের ক্ষিদে মেটানোর জন্য নিজের মুন্ডচ্ছেদ করে তিনটি ধারায় রক্ত বর্ষণ করেছিলেন।অর্থাৎ এই দিনই দেবী ছিন্নমস্তা রূপ ধারণ করেছিলেন। দেবী পার্বতী তাঁর সহচরী দের ক্ষুধা মেটানোর জন্য নিজ মুণ্ড কেটে ত্রিধারায় রক্তবারি প্রকট করেছিলেন।

শাস্ত্র থেকে জানা যায় একদিন শ্রীকৃষ্ণের বাঁশির আওয়াজ শুনে গ্রামের গোপীনীরা সেইদিকে ছুটে গিয়ে দেখেন শ্রীকৃষ্ণের প্রেমলীলায় মত্ত রাধা কৃষ্ণ মূর্তি ধারণ করেছেন। সেদিন তারা বুঝতে পারে রাধাই আসলে আদ্যা শক্তি। সেই কারণেই এই তিথিতে রটন্তী কালী পুজো হয়।

আরও পড়ুন : কলকাতার ৫ টি জাগ্রত কালী মন্দির যেখানে গেলে পূরণ হয় সব মনস্কামনা

অনেক পবিত্র পিঠ,মন্দিরে এমনকি অনেকের বাড়িতে এই পুজো হয়। এইদিন নিষ্ঠা ভরে মনস্কামনা পূরণের জন্য মা কালীর আরাধনা করেন ভক্তরা। মনে করা হয়, দাম্পত্য জীবনে অসুখী বা সদ্য প্রেম বিচ্ছেদ ঘটেছে তারা এই বিশেষ তিথিতে রটন্তী কালীর আরাধনা করলে নিশ্চিতভাবে সফলতা পাবেন।এক নজরে দেখে নেওয়া যাক পুজোর তিথি। রটন্তী কালীপুজোর অমাবস্যা তিথি থাকবে ১০ই ফেব্রুয়ারি রাত ১২.৪২ মিনিট থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২.১১ মিনিট পর্যন্ত।

আরও পড়ুন : পশ্চিমবঙ্গের ৭টি জাগ্রত কালী মন্দির; যেখানে গেলে মনোবাঞ্ছা পূর্ণ হবেই