পরিস্থিতি আরও সংকটজনক, ঐন্দ্রিলার জন্য সবাইকে প্রার্থনা করার কাতর অনুরোধ মায়ের 

১০ দিনেও ফেরেনি জ্ঞান, পরিস্থিতি আরও সংকটজনক, মেয়ের জন্য সবাইকে প্রার্থনার অনুরোধ মায়ের

Aindrila Sharma's mother Shikha Sharma requested to all to pray for her daughter 2

গত ১০ দিন ধরে হাসপাতালে জীবন মৃত্যুর লড়াই লড়ছেন ঐন্দ্রিলা শর্মা (Aindrila Sharma)। বিগত কয়েকদিনে কখনও তার শারীরিক পরিস্থিতি ভালর দিকে গিয়েছে, কখনও খারাপ হয়েছে। ঐন্দ্রিলার সম্পর্কে ভাল খবর পেলে খুশি হয়ে ওঠেন ভক্তরা। আবার কখনও যদি তার শারীরিক পরিস্থিতির অবনতির খবর পেলে উদ্বিগ্ন হয়েছেন তিনি। গোটা বাংলা এখন এই বাঙালি অভিনেত্রীর সুস্থতা কামনা করছেন মনেপ্রাণে।

ঐন্দ্রিলার জন্য এখন চিকিৎসার পাশাপাশি আপনজন ও ভক্ত-অনুরাগীদের প্রার্থনাও ভীষণভাবে জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত কয়েকদিনে চিকিৎসাতে ভালই সাড়া দিচ্ছিলেন অভিনেত্রী। তবে আচমকা তার শরীরে ধরা পরে সংক্রমণ। সেই সঙ্গে ঐন্দ্রিলার জ্বরও নাকি বেড়েছে। সর্বোপরি গত ১০ দিনেও তার সংজ্ঞা ফেরেনি। তাই ঐন্দ্রিলার পরিস্থিতি এখনও আশঙ্কাজনক।

এমতাবস্থায় অভিনেত্রীর মা শিখা শর্মা সোশ্যাল মিডিয়াতে সকলের কাছে কাতর অনুরোধ করলেন তার মেয়ের সুস্থতার জন্য যেন সকলেই প্রার্থনা করেন। বর্তমানে হাওড়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ঐন্দ্রিলা। গত সপ্তাহের মঙ্গলবার ঘুমোতে ঘুমোতে আচমকাই তার সারা শরীর অসাড় হয়ে যায়। তড়িঘড়ি তাকে হাসপাতালে নিয়ে পৌঁছোন প্রেমিক সব্যসাচী।

হাসপাতালে পৌঁছতেই জানা যায় ঐন্দ্রিলা ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন। এরপর তার চিকিৎসা শুরু হয়। ঐন্দ্রিলার সম্পর্কে এই খবর জেনে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তার ভক্তরাও। প্রায় এক সপ্তাহ ভেন্টিলেশনে রাখার পর কিছুটা সুস্থ হতেই ঐন্দ্রিলাকে ভেন্টিলেশনের সাপোর্ট সিস্টেম থেকে বের করে আনা হয়। তবে আচমকাই আবার নতুন করে জ্বরে আক্রান্ত হন অভিনেত্রী।

ঐন্দ্রিলার পরিস্থিতি আবার সংকটজনক হতেই সোশ্যাল মিডিয়াতে মেয়ের জন্য সকলকে প্রার্থনা করার অনুরোধ জানান তার মা শিখা শর্মা। ভগবান হোন বা আল্লাহ, ঐন্দ্রিলার জন্য সকলেই যেন তাদের উপাস্য দেবতার কাছে কামনা করেন, এই আর্জিই তিনি জানিয়েছেন। যদিও ঐন্দ্রিলা যেদিন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে খবর মেলে সেদিন থেকেই তাকে নিয়ে উদ্বিগ্ন ভক্তরা। প্রতিনিয়ত তার সুস্থতা কামনা করে চলেছেন সকলে।

আনন্দবাজার অনলাইন সূত্রের খবর, ঐন্দ্রিলাকে এখন ‘সি প্যাপ’ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। তিনি সংজ্ঞাহীন, ঘোরের মধ্যে রয়েছেন। মঙ্গলবার নতুন করে সংক্রমণ ধরা পড়ে তার শরীরে। তবে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার ফলে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু এই অবস্থায় আবার জ্বর আসার লক্ষণটা ভাল নয় বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।