মিঠাইকে টেক্কা দেওয়ার ক্ষমতা রাখে এই ধারাবাহিক, কনটেন্টের বিচারেও সবার থেকে এগিয়ে

স্টার জলসা, জি বাংলা নয়, দর্শকদের বিচারে এই ধারাবাহিক মিঠাইয়ের থেকেও সেরা

According to Audience Sun Bangla`s Serial Indrani can beat Mithai on TRP

বাংলা টেলিভিশনের (Bengali Telivision) সেরা চ্যানেল বলতে প্রথমেই মাথায় আসবে স্টার জলসা এবং জি বাংলার নাম। এই দুই চ্যানেলের দর্শক সংখ্যা কার্যত অন্যান্য চ্যানেলের থেকে অনেক বেশি। টিআরপি নিয়ে মূলত স্টার জলসা এবং জি বাংলার মধ্যে রেষারেষি হয়। অন্যান্য চ্যানেল যেমন কালার্স বাংলা (Colours Bangla), সান বাংলায় ভাল কনটেন্ট থাকলেও দর্শক সংখ্যা খুবই কম। তবে কালার্স বাংলার একটি ধারাবাহিক নিয়ে এখন দর্শকদের মধ্যে বেশ মাতামাতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

সম্প্রতি কালার্স বাংলাতে শুরু হয়েছে এক নতুন ধরনের ধারাবাহিক যার নাম ‘ইন্দ্রানী’ (Indrani)। এই ধারাবাহিকের কাহিনী ক্রমশ জনপ্রিয় হচ্ছে দর্শকদের মধ্যে। যে কারণে ধারাবাহিকের প্রতি দর্শকদের আগ্রহও বাড়ছে। স্টার জলসাতে যেখানে দেখানো হচ্ছে মাঝ বয়সী পুরুষের সঙ্গে হাঁটুর বয়সী মেয়ের বিয়ে, সেখানে এই চ্যানেলে ইন্দ্রানীর গল্পে রয়েছে বেশি বয়সের নায়িকা এবং কম বয়সী নায়কের প্রেমের এক অদ্ভুত সুন্দর গল্প।

গত ১৮ ই জুলাই থেকে এই ধারাবাহিকের সম্প্রচার শুরু হয়েছে। ধারাবাহিকে নাম ভূমিকায় রয়েছেন ‘ইষ্টিকুটুম’ খ্যাত অভিনেত্রী অঙ্কিতা চক্রবর্তী। তার বিপরীতে অভিনয় করছেন রাহুল গাঙ্গুলী। এখানেও এক অসমবয়সী প্রেমের কাহিনী দেখানো হচ্ছে। পার্থক্য শুধু এটাই যে বছর চল্লিশের এক যুবতীর প্রেমে পড়েছে কুড়ি বছরের যুবক!

বাংলা ধারাবাহিককে সাধারণত এর আগে এমন কনসেপ্টের গল্প আগে দেখানো হয়নি। ধারাবাহিকের নায়িকা ‘ইন্দ্রানী’ একজন ডাক্তার। ১৩ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে তার। সেই মেয়ে ইন্দ্রানীকে বিশেষ পাত্তা দেয় না। ইন্দ্রানী তার স্বামীর সঙ্গে থাকেন না। ইন্দ্রানীকে ছেড়ে বহু আগেই চলে গিয়েছেন স্বামী। তবে ইন্দ্রানী কিন্তু তার শ্বশুরবাড়িতে থেকেই সমস্ত দায়িত্ব পালন করছেন।

Indrani

ঘর সংসার সামলানোর পাশাপাশি হাসপাতালের দায়িত্বটাও ভালভাবে পালন করে ইন্দ্রানী। এই হাসপাতালের মালিকের নাতিই হলেন ধারাবাহিকের নায়ক। ২০ বছর বয়সী এই যুবক ইন্দ্রানীর প্রেমে পড়ে গিয়েছে। এখন তাদের সম্পর্কের মোড় কোন দিকে ঘুরবে? ইন্দ্রানী কি তার প্রস্তাব মেনে নেবে? তাদের সম্পর্ককে কোন নজরে দেখবে সমাজ?

সমাজ মেনে নিক বা না নিক, দর্শকরা কিন্তু দারুণ পছন্দ করছেন ভিন্ন স্বাদের এই ধারাবাহিক। এখানে একান্নবর্তী পরিবার দেখানো হয়নি, পারিবারিক কুটকাচালি ছাড়াই এক মেয়ের ঘরে-বাইরের সংগ্রামের কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে। প্রথম সারির চ্যানেলে এমন ধারাবাহিক এলে টিআরপিতে সেরা হত, এমনটাই বলছেন ধারাবাহিকের ভক্তরা। কেউ কেউ বলছেন বেঙ্গল টপার মিঠাইয়ের থেকেও অনেক ভাল সিরিয়াল হল ইন্দ্রানী।