আমির খানের মেয়ে যৌন হেনস্তার শিকার, প্রকাশ্যে এলো ইরার ভিডিও

Ira Khan opens up on being sexually abused at 14
Ira Khan opens up on being sexually abused at 14

সারা বিশ্বে প্রতিদিন অগণিত মেয়ে যৌন হেনস্থার শিকার হন। কেউ কেউ মুখ খোলেন আবার কেউ কেউ সারা জীবন নিজের মধ্যেই সেই ঘটনা চেপে রেখে দেন। সম্প্রতি এই নিয়ে হওয়া #মিটু আন্দোলনের পর অনেক অভিনেত্রী সর্বসমক্ষে তাদের সাথে ঘটে যাওয়া যৌন হেনস্থার কথা তুলে ধরছেন।

কয়েকদিন আগেই ছোটবেলা যৌন হেনস্থার শিকার হওয়া নিয়ে মুখ খুলেছিলেন অভিনেত্রী ফতিমা সানা শেখ। এবার নিজের জীবনের তেমনই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন আমির খানের (Aamir Khan) মেয়ে ইরা খান (Ira Khan)। শুধু তাই নয়, ১৪ বছর বয়সে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হওয়ার পাশাপাশি বাবা আমির ও মা রিনা দত্তের ডিভোর্স নিয়েও মুখ খুলেছেন ইরা।

আমির খানের (Aamir Khan) কন্যা ইরা খান (Ira Khan) এমনই একটি ১০ মিনিটের ভিডিও ইনস্টাগ্রামে আপলোড করে ১৪ বছর বয়সে নিজের সাথে ঘটে যাওয়া যৌন হেনস্থার কথা স্বীকার করেছেন।

Aamir Khan's Daughter Ira Reveals She Was Sexually Abused At The Age Of 14
Aamir Khan’s Daughter Ira Reveals She Was Sexually Abused At The Age Of 14

ইরা খান (Ira Khan) নিজের ইনস্টাগ্রাম (Instagram) ভিডিওতে জানিয়েছেন তিনি তখন এতটাই ছোট ছিলেন যে ঘটনাটি বুঝতে তার এক বছর সময় লেগেছিল। প্রথমে তিনি বুঝতেই পারেননি কেন তার সাথে এমন করা হচ্ছে। কিন্তু বছর ঘুরতেই তিনি বুঝতে পারেন তাকে শারীরিক নিগ্রহ করা হতো।

তিনি আরো জানিয়েছেন এই ঘটনার কথা তিনি তার বাবা আমির খান ও মা রিনা দত্ত কাউকেই বর্ণনা করতে পারেননি। বহুদিন পর ইমেইল মারফত এই কথা তিনি তার পরিবারকে জানান। তবে কারা বা কে তার শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা করেছিল সেই বিষয়ে তিনি কিছুই জানাননি।

Aamir Khan & Reena Dutta

কয়েক সপ্তাহ আগে, নিজের ইনষ্টগ্রাম অ্যাকাউন্টে ভিডিও পোস্ট করে নিজের মানসিক অবসাদের কথা প্রথম শেয়ার করেছিলেন ইরা। ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে ইরা জানিয়েছিলেন, “আমি অবসাদগ্রস্ত। চার বছরেরও বেশি সময় ধরে আমি মানসিক অবসাদে ভুগছি।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Ira Khan (@khan.ira) on

তবে আমি এখন আগের থেকে একটু ভালো আছি। অনেকদিন ধরেই আমি ভাবছিলাম মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য কিছু একটা করবো। কিন্তু কী করব ভেবে পাচ্ছিলাম না। তারপর মনে হল আপনাদের একটা গল্প শোনাই। আমার যাত্রাপথের গল্প। আশা করি আমরা নিজেদের আরও ভালো করে বুঝতে পারব। মানসিক অবসাদকে ভালোভাবে বুঝতে সক্ষম হব।’