দুপুরে যেমন ভাত তেমনি রাতে রুটি ছাড়া চলে না বহু মানুষের। তবে বাঙালিদের প্রিয় খাবার ভাত হলেও দেশে এমন বহু রাজ্য রয়েছে যেখানের রুটি খাওয়ার চল বেশি রয়েছে। এই সব রাজ্যে ভাত খাওয়ার খুব বেশি চল নেই। রুটি বেশি খেতে পছন্দ করেন এখানকার মানুষরা। তবে রুটি নরম রাখা (Keep the Roti soft) বা নরম বানানো খুব একটা সহজ কাজ নয়। রুটি কীভাবে নরম রাখবে সেই উপায় দেওয়া হয়েছে এই প্রতিবেদনে।
রুটি নরম রাখার সাতটি উপায় (Seven ways to keep Roti soft): অনেকের জন্য গোলা বা পারফেক্ট রুটি তৈরি করা একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয় যায়। তবে গোল এবং পারফেক্ট রুটিও বানানো যায় খুব সহজেই। এর জন্য আটা মাখার সময় একটু একটু করে ঘি মিশিয়ে নিতে হবে আটার সঙ্গে।
বাড়িতে রুটি তৈরির সময় সকলেই জল ব্যবহার করেন। জল দিয়েই আটা মাখেন। কিন্তু এভাবে না মেখে আমরা যদি আটা মাখার সময় দুধ দিয়ে মাখি তাহলে কিন্তু রুটি নরম হবে। তাই আটা মাখার সময় অবশ্যই জলের বদলে দুধ ব্যবহার করতে হবে।
তবে শুধু দুধ নয়, রুটি নরম করার রয়েছে আরও অনেক উপায়। রুটি মাখার সময় জল দিয়েও মাখা যেতে পারে। কিন্তু সেই জল ঠান্ডা হলে হবে না। রুটি মাখার আগে সেই জল অবশ্যই ভালো করে গরম করে নিতে হবে। তাহলে রুটি নরম হবে।
আটা যদি ঠান্ডা জল দিয়েও মাখার হয় তাহলে মাখা হয়ে যাওয়ার কিছুক্ষন পর তা সুতি বা মলমল কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে কিছুক্ষণের জন্য জন্য তা রেখে দিতে হবে কোনও পাত্রে। এভাবে কিছুক্ষন রাখার পর দেখা যাবে রুটি নরম রয়েছে।
রুটি নরম রাখার জন্য আরও অনেক উপায় রয়েছে যার মধ্যে একটি হল, আমরা রুটি করার আগে যদি তাওয়া ভালো করে গরম করেনি তারপর রুটি তৈরি করি তাহলে রুটি গরম থাকবে। এভাবে খুব বেশি কষ্ট করতে হয় না রুটি নরম রাখার জন্য।
তবে রুটি নরম রাখার জন্য জন্য আটা মাখার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন আটা খুব নরম করে মাখা হয়। এভাবে আটা মাখলেও রুটি নরম থাকবেই। তাই আটা মাখার সময় অবশ্যই নরম করে মাখতে হবে তাহলে রুটি নরম থাকবে।
নরম রুটি তৈরি করার জন্য বহু মানুষ আবার আটা মাখার সময় একটি তেল দিয়ে মাখেন। এই পদ্ধতিতে আটা মাখলেও রুটি নরম হয়। তাই আটা মাখার সময় সামান্য একটু তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। তাহলে রুটি অবশ্যই নরম থাকবে।