ইঞ্জিনিয়ারিং ছেড়ে বিখ্যাত খেলোয়াড় হয়েছেন এই ৬ ক্রীড়াবিদ

তাঁরা প্রত্যেকেই খেলার মাঠের বসুপরিচিত মুখ। কেউ ক্রিকেটার, কেউ টেবল টেনিস খেলেন। কিন্তু তাঁরা যদি খেলোয়াড় না হতেন, তাহলে হতেন ইঞ্জিনিয়ার। কারণ তাঁরা প্রত্যেকেই ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েছেন। কেউ সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, কেউ বা কমপিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং করেছেন।

গত কাল ছিল বিশ্ব ইঞ্জিনিয়ারিং দিবস। সেই ৬ ক্রীড়াবিদকে একবার ফিরে দেখা যাক তাদের যারা একদিকে জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বের ক্রীড়া ইতিহাসে ছাপ ফেলেছেন এবং অন্যদিকে অবসরের পরেই ইঞ্জিনিয়ারিং কে নিজের পেশা বানিয়েছেন তারা। আজ তারা খেলার জগতে না এলে ইঞ্জিনিয়ারিংকেই প্রথম থেকে নিজেদের পেশা বানাতেন।

১. অনিল কুম্বলে :  ভারতের জাতীয় দলের ইতিহাসে অন্যতম স্পিনারদের তালিকায় নিঃসন্দেহে তার নাম থাকবে। ছাত্রাবস্থায় মেধাবী অনিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েছিলেন। বর্তমানে ব্যাঙ্গালোরে তার আইটি ফর্ম আছে।

২ জাভাগল শ্রীনাথ : এই ভারতীয় পেসার ৬৭ টি টেস্ট ২৩৬ টি উইকেট নিয়েছেন। ছাত্রাবস্থায় তিনি নামী মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। অবসরের পর তিনি তার আইটি ফর্ম খুলেছেন। তার স্ত্রী মাধবী নাম করা সাংবাদিক। তার নিজস্ব মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি আছে। তিনি বর্তমানে আইপিএল এর রেফারি হিসেবে দুবাইতে আছেন।

আরও পড়ুন : ক্রিকেটের এই ১০টি রেকর্ড কোনদিন কারোর পক্ষে ভাঙা সম্ভব নয়

৩. রবিচন্দ্রন অশ্বিন : ইঞ্জিনিয়ারিং এ ভালো নম্বর পাওয়া এই বর্তমান ভারতীয় পেসার টেস্ট জাতীয় দলের হয়ে ৭০ টি টেস্ট এ ৩৬২ উইকেট নিয়েছেন। এই বছরের আইপিএল এ তিনি দিল্লি ক্যাপিটালের জার্সিতে মাঠে নামবেন।

৪. স্মৃতি মান্ধানা : ভারতীয় মহিলা দলের এই ডান হাতি ব্যাটসম্যান কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। ২০১৪ সালে ইংল্যান্ডের মাঠে তিনি তার প্রথম ম্যাচ খেলেন।

আরও পড়ুন : ৫ ক্রিকেটার যারা ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়ে অন্য পেশা বেছে নিয়েছেন

৫. শিখা পান্ডে : গোয়া ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং এ ভালো নম্বর নিয়ে পাশ করার পর এই ডান হাটি মিডিয়াম পেসার জাতীয় দলে নাম লেখান। মাত্র ১৫ বছর বয়সে গোয়ার একটি ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে খেলা শুরু করেন তিনি।

৬. গনেশেখরন সাথিয়ান : এই ভারতীয় টেবিল টেনিস তারকা দেশের তরফ থেকে অনেক আন্তর্জাতিক পদক জিতেছেন। কমনওয়েলথ চ্যাম্পিয়নশিপে দেশকে সোনা এনে দিয়েছেন তিনি, পেয়েছেন অর্জুন পুরষ্কার। তবে অনেকেই জানেননা যে তিনি চেন্নাইয়ের সেন্ট জোসেফ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে বি টেক ইঞ্জিনিয়ারিং করেছেন।বর্তমানে তিনি
বিশ্ব ক্রম তালিকায় ২৪ নম্বর স্থান আছেন।