এই ৫জিনিস কখনো কারও সঙ্গে ‘শেয়ার’ করবেন না, বেস্ট ফ্রেন্ডের সাথেও না

378

মেয়েরা নাকি তাঁদের স্বামীর চেয়েও প্রিয়বন্ধুকে সবচেয়ে বেশী ভালোবাসে! না, আমরা এ কথা বিশ্বাস করি না, একটি সমীক্ষা এমনটা জানাচ্ছে। যাবতীয় সমস্যা, রাগ, অভিমান, এককথায় আলপিন টু এলিফ্যান্ট – মেয়েরা তাদের বেস্ট ফ্রেন্ডের সঙ্গে শেয়ার করে। প্রথম প্রেম, ঝগড়া এমনকি প্রথম চুম্বন অভিজ্ঞতাও একে অন্যকে জানায়। সমস্যায় পড়লে ছুটে যায়। বিপদে-আপদে বুদ্ধি চায়। কিন্তু সব কিছুর মতো এরও একটা সীমা আছে। সেই সীমারেখা টপকালে একদিকে পরনির্ভরতা গ্রাস করার সম্ভাবনা থেকে যায়। অন্যদিকে সম্পর্কেও বিরক্তি উৎপাদন হতে পারে।
তাই নির্দিষ্ট কিছু জিনিস প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে ‘শেয়ার’ করা থেকেও বিরত থাকতে হয়। সীমারেখা টানতে হয়। সেটা সম্পর্কের সুস্বাস্থ্যের জন্যই প্রয়োজন।

১) বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে বিবাদের খুঁটিনাটি

এটা একরকমের নির্বুদ্ধিতা। বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে ঝগড়ার খুঁটিনাটি দিক নিয়ে বন্ধুকে বললে, বয়ফ্রেন্ড সম্পর্কেই ভুল বার্তা যায়। কারণ বন্ধু সেই গুলো ধরেই বিচার করতে থাকে। এতে ভুল হবার সম্ভাবনা দ্বিগুণ হয়ে যায়। 

২) কেউ মনে আঘাত দিলে

যখনই আপনি কোনও কারণে আহত হবেন, তখনই বন্ধুকে জানাতে ছুটবেন? না এটা কোনও কাজের কথা নয়। নিজেকে পরিস্থিতির সঙ্গে মোকাবিলা করা শিখতে হবে আপনাকে। নিজেই নিজেকে চাগিয়ে তোলার, হতাশা থেকে বের হয়ে আসার কৌশল আয়ত্ব করতে হবে আপনাকেই।

৩) পারিবারিক বিবাদ

প্রত্যেক পরিবারেই ঝগড়াঝাটি হয়। কোনও পরিবারই নিখুঁত নয়। তাই পারিবারিক ঝামেলা নিজের মধ্যে রাখাই ভালো। নিজের পরিবার নিয়ে কেউ নেতিবাচক মন্তব্য করে বসলে আপনারই সবচেয়ে বেশী আঁতে লাগবে। তাই পারিবারিক অশান্তি অন্যের সঙ্গে শেয়ার করার আগে তিনবার ভাবুন।

৪) মহৎ উদ্যোগ

হ্যাঁ। মহৎ উদ্যোগ বিজ্ঞাপিত হলে উদ্দেশ্য হারায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় হামেশাই দেখেন, কোনও সংস্থা গরীবদের শীতবস্ত্র দান করছে অথবা ফুটপাথের শিশুদের নতুন জামা তুলে দিচ্ছে – এমন ভিডিও। বিভিন্ন উদ্দেশ্যে এখানেও ‘দান’কে বিজ্ঞাপিত করা হচ্ছে। এবং ধীরে ধীরে ‘দান’ গৌণ হয়ে গিয়ে ভিডিও তোলা অর্থাৎ বিজ্ঞাপনটাই মুখ্য হয়ে যাচ্ছে। ফলে ভালো কাজ গতি হারাচ্ছে, উৎসাহও। এমন ভিডিও প্রচার আসলে, নিজের অহং-এ আহার জোগানোর নামান্তর। তাই কোনও ভালো উদ্যোগ নিলে সেটা চেপে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।

আরও পড়ুন : প্রেম ও ভালোবাসার মধ্যে পার্থক্য কি ?

আরও পড়ুন : প্রেম হয় ৭ রকমের, আপনারটা ঠিক কী রকম ?

৫) যৌন জীবন

কোনও বিষয় অজানা থাকলে বা সন্দেহ হলে বন্ধুর সঙ্গে পরামর্শ করতেই পারেন। কিন্তু সেটা যেন পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনায় না পৌঁছয়। ব্যক্তিগত জীবন ব্যক্তিগত রাখাই উচিৎ। তাহলে কতটা ব্যক্তিগত রাখবেন? যেমন, সেবার ও আমাকে পূর্ণ সুখানুভূতি দিতে পারেনি – এমন আলোচনা না করাই ভালো।