বিয়ের পর মেয়েদের এই ৪টি সমস্যার সন্মুখীন হতে হয়, #৪ নম্বরটি আজীবনের

জীবনের সবথেকে বড় সিদ্ধান্তটি হলো বিয়ে। মূলত মেয়েদের ক্ষেত্রে জীবনের সাজানো পুরো সমীকরণটাই উল্টে যায়। নিজের বাড়ি, ঘর, মা বাবা সব কিছুকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে হয় তাদের। তাই সামনে এগোনোর মানুষটা যদি ঠিক না হয় সেক্ষেত্রে জীবনে নেমে আসতে পারে ভয়াবহ বিপদ।

অবশ্য বর্তমানে ছেলে মেয়ে উভয় বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সাত পাঁচ সবদিক ভেবে তারপরই পা বাড়াতে চান।ছেলে মেয়ে সবার ক্ষেত্রেই বিয়েটা চ্যালেঞ্জিং হলেও এখেত্রে কিন্তু মেয়েদের চ্যালেঞ্জ অনেক বেশী। অনেক বেশী পরিবর্তন ও ওঠানামার মধ্যে দিয়ে যেতে হয় মেয়েদের।বিয়ের পরেই এই চারটি সমস্যার সন্মুখীন হতে হয় মেয়েদের যা আপনার যেনে রাখা দরকার। দেখে নেওয়া যাক সেগুলি কি কি।

 

১) একাকিত্ব :- নিজের বাড়ি,মা বাবা,ভাই বোন, চেনা পরিসর, ঠিকানা সবই পরিবর্তন করতে হয় মেয়েদের। এটা কিন্তু মোটেই সহজ নয়। নতুন সংসারের মানুষদের আপন করতে বেশ কিছুটা সময় লেগে যায়। মাঝের এই সময়টায় মেয়েরা একাকিত্বে ভোগে।নতুন জীবনে মানিয়ে নেওয়ার জন্য এই একাকিত্বকে জয় করতে হয়। অনেকেই সম্পূর্ন বিষয়টিকে মনের মধ্যেই চেপে রাখেন। সেক্ষেত্রে এই অনুভূতি আরও বাড়তে থাকে।

২) সমন্বয় :- চাকুরীজীবন এবং সংসার – এই দুইয়ের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখা খুব বড় চ্যালেঞ্জ। একইসাথে এসাইনমেন্ট এর চিন্তা এবং বাড়িতে সবার খাবার দাবারের চিন্তা।বিয়ের আগে মা সবটাই সামলে নিলেও বিয়ের পরে নিজের সংসারে নিজেকেই সামলাতে হয়।সন্তান জন্মের পর এই দায়িত্ব আরও দশগুণ বেড়ে যায়।একইসাথে ব্যাক্তিগত জীবনের দিকটিও সামাল দিতে হয়।

আরও পড়ুন : অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ না লাভ ম্যারেজ, কোনটা বেশী ভালো?

৩) গোপনীয়তা :- বিয়ের আগে একার ঘর, একার আলমারি,একার ডেস্ক। কিন্তু বিয়ের পর আর সেটা থাকেনা। “আমার” থেকে সেটা হয়ে যায় “আমাদের”। শুধু তাই নয়, নিজের জন্যও সময় থাকেনা অনেকক্ষেত্রে। ব্যাক্তিগত জীবনে ওপরের হস্তক্ষেপ অনেকেই পছন্দ করেনা। ফলে স্ট্রেস এবং খিটখিটে ভাব উভয়ই বাড়তে পারে। অনেকেই কাজ এবং সংসার দুইদিক সামলে নিজের জন্য বাঁচতে ভুলে যান। কিন্তু একদমই তা করা উচিত নয়। নিজে ভালো থাকলেই সকলকে ভালো রাখা সম্ভব। তাই নিজেকে সময় দিতে হবে, খুশি থাকতে হবে।

আরও পড়ুন : প্রেম করে বিয়ের ১০টি সুবিধা ও অসুবিধা

৪) দায়িত্ব :- বাবার বাড়িতে রাজকন্যার মতন আবদার করলেও শ্বশুর বাড়িতে এসে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মেয়েদেরই সংসারের হাল ধরতে হয়।একই সাথে মেয়ে এবং বৌমা দুই দায়িত্বই পালন করতে হয়।একান্নবর্তী পরিবার হলে এই দায়িত্ব আরও বাড়ে। বিয়ের পর বউমা হিসাবে দায়িত্ব বাড়ে। তখন কিন্তু মেয়ে ও বউমা, দুটি ভূমিকাতেই মেয়েদের দায়ি্ব পালন করতে হয়। বড় চ্যালেঞ্জ।