ভারতের ১০ সুন্দরী, সাহসী ও সৎ মহিলা অফিসার  

ইউপিএসসি পরীক্ষায় সফল শক্ত ব্যাপার। সফল হলে পরবর্তী ধাপে নির্ভীকতা ও সততার সঙ্গে কাজ করতে হয়। ঘুষখোর দূর্ণীতিগ্রস্ত রাজনীতিকদের দমনের জন্য চাই সিংহহৃদয় এবং সৎসাহস। এমনই দুঃসাহসিক এবং বুদ্ধিমতী ১০ মহিলা আইএএস এবং আইপিএস অফিসারদের তালিকা করেছি আমরা।

১) স্মিতা সবরওয়াল

চিত্তোর, ভাইজাগ, ওয়ারঙ্গল এবং করিমনগরে অসাধারণ কাজের জন্য তেলঙ্গানাতে স্মিতা সবরওয়ালকে বলা হয় ‘পিপলস অফিসার।’ আইএএস পরীক্ষায় সারা ভারতে চতুর্থ স্থান পেয়েছিলেন। তেলেঙ্গানারই আরও এক আইএএস অফিসার আকুম সবরওয়ালকে বিয়ে করেন স্মিতা।

২) ঋজু বাফনা

২০১৩ সালে ইউপিএসসি পরীক্ষায় ঋজু পেয়েছিলেন ৭৭ তম স্থান। আরও এক আইএএস অফিসার এবং তাঁর ব্যাচমেট অভি প্রসাদকে বিয়ে করেন ঋজু। সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব সামলেছেন। সম্প্রতি যৌন হেনস্থার বিপক্ষে গলা চড়িয়েছেন।

৩) মেরিন জোসেফ

কেরালার সর্বকনিষ্ঠ আইপিএস অফিসার মেরিন জোসেফ। ২০১২ সালে মাত্র ২৫ বছর বয়সে ইউপিএসসি পরীক্ষায় সফল হন তিনি। ২০১৫ সালে মনস্তাত্ত্বিক ক্রিস অব্রাহামকে বিয়ে করেন মেরিন। যে কেউ সারাদিনে যে কোনও সময় তাঁকে ফোন করা যায়।

৪) কাঞ্চন চৌধুরি ভট্টাচার্য

কাঞ্চন প্রথম মহিলা আইপিএস অফিসার যিনি পুলিসের ডিজি পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন। হিমাচল প্রসাদের বাসিন্দা কাঞ্চন ইন্দ্রপ্রস্থ কলেজ থেকে ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে স্নাতকোত্তর পড়াশোনা করেন। রাষ্ট্রপতি পদক এবং রাজিব গান্ধী পুরস্কার পেয়েছেন। প্রতিদিন ৫০ মানুষের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের সমস্যার সমাধানের উপায় খোঁজেন। অবসরের পর রাজনৈতিক দল আম আদমি পার্টির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন।

৫) মীরা বরওয়ানকর

দাউদ ইব্রাহিম, ছোট রাজনের গ্যাং মেম্বারকে গ্রেপ্তারে করতেই পাদপ্রদীপের আলোয় আসেন মীরা বরওয়ানকর। মহারাষ্ট্রের প্রথম মহিলা আইপিএস অফিসার মীরা ‘লেডি সুপারকপ’ নামে জনপ্রিয়। তাঁর জীবন থেকেই অনুপ্রাণিত হয়েই ‘মর্দানি’ চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন রানি মুখার্জি। পর্তুগাল, দুবাই এবং জার্মানি থেকে যথাক্রমে  আবু সালেম ও তাঁর সহকারী মণিকা বেদী, ইকবাল মির্চি এবং তারিক প্রবীণকে গ্রেপ্তার করেন মীরা।

৬) সংযুক্তা পরাশর

রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক সংযুক্তা আসামের প্রথম মহিলা আইপিএস অফিসার। সীমান্ত অঞ্চলের জঙ্গী এবং অপরাধীদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছিলেন। বিশেষ করে বোরো জঙ্গীদের বিরুদ্ধ্বে তাঁর লড়াই বারবার শিরোনামে এসেছে। বর্তমানে শোণিতপুরের পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

৮) বন্দনা প্রেয়সী

অপরাধীদের ঘুম ছোটানো অফিসার বন্দনা বিহারের সিওয়ান জেলার ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট।

৯) বিমলা মেহরা

স্পেশাল কমিশনার পুলিস পদে নিযুক্ত হওয়া দেশের প্রথম মহিলা বিমলা মেহরা। আত্মরক্ষামূলক কর্মসূচী প্রচারে মহিলাদের জন্য ১০৯১ হেল্পলাইন নাম্বার চালু করেন। কিরণ বেদীর পর দ্বিতীয় মহিলা ডিজি হিসাবে তিহার জেলের দায়িত্বভার সামলেছেন বিমলা।

১০) বি চন্দ্রকলা

সড়ক নির্মানের জন্য নিম্নমানের কাচামাল সরবরাহ করায় ঠিকাদারকে গ্রেপ্তার করায় জনপ্রিয় হন। অন্ধ্রপ্রদেশের বাসিন্দা চন্দ্রকলা উঠে এসেছেন উপজাতীয় পরিবার থেকে। বর্তমানে ‘স্বচ্ছ ভারত মিশন’ প্রকল্পের পরিচালক এবং পানীয় জল ও স্যানিটেশন মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেট্রারি। বুলন্দশর, বীজনোর এবং মীরাটের ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট থাকাকালীন ব্যাপকভাবে ‘কলিন ইন্ডিয়া’ প্রচারাভিযানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।